চুন-সুড়কির বিশেষ নির্মাণশৈলীতে তৈরি এই স্থাপত্য নিদর্শন দর্শনার্থীদের আজ বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এর গঠনশৈলী ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব মিলিয়ে সূর্যঘর এখন দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বর্তমানে রাজবাড়ির পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা বেলা বাউড়ি জানান, “এখন রাজা নেই, নেই রাজার রাজত্বও। কিন্তু রয়ে গেছে তাঁদের স্মৃতি। একসময় এই সূর্যঘর থেকেই রাজারা সূর্য দর্শন করতেন এবং প্রতিদিন সূর্যদেবতার পুজো করতেন।”
advertisement
রাজবাড়ির পরিচালিকা বেলা আরও জানান, “আমি যতদূর শুনেছি, রাজবংশের পরপর পাঁচজন রাজা এই সূর্যঘর থেকে সূর্যদর্শন করতেন। প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে তারা সূর্যদেবতার পুজো করার জন্য এই সূর্যঘরে এসে উপস্থিত হতেন। রাজাদের সঙ্গে উপস্থিত হতেন রাজবংশের অন্যান্য সদস্যারাও।”
সূর্যঘরের পরিবেশে আজও এক ধরনের মরমী আবহ অনুভূত হয়। ইতিহাস ও সংস্কৃতির অনুরাগীদের কাছে এটি শুধু একটি স্থাপত্য নয়, বরং রাজবংশের জীবনযাত্রা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রাচীন প্রথার জীবন্ত সাক্ষ্য। কাশীপুর রাজবাড়ির সূর্য ঘর তাই আজও অতীত ও বর্তমানের মধ্যে এক অনন্য সেতুবন্ধন রচনা করে চলেছে।