শিলিগুড়ি থেকে ১০৫ কিলোমিটার দূরে এবং দার্জিলিং শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ে ঘেরা বহু প্রাচীন এই গ্রাম। গ্রামে বসবাসকারী লোকেরা তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য অর্গানিক চাষের উপর নির্ভর করে। সিঙ্গলিলা জাতীয় উদ্যানের কোলে অবস্থিত ধোত্রে বাকি সব পাহাড়ি গ্রামের থেকে একদম আলাদা। গ্রামজুড়ে অর্গানিক ফসলের চাষ। বাড়ির সামনে একফালি জমিতেই চাষ হচ্ছে কপি, গাজর, মটর, বিনস। গ্রামের পথ ধরে মিনিট পাঁচেক এগিয়ে গেলেই রয়েছে আকাশ ছোঁয়া পাইনগাছের ঘন বন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এক টুকরো পেটে গেলেও শরীরের সাংঘাতিক ক্ষতি! বাজারের এই সাধারণ মাছ ‘বিষের খনি’, বাড়ে ক্যানসারের আশঙ্কা
মেঘ, পাইন আর কাঞ্চনজঙ্ঘা নিয়েই এই ধোত্রে গ্রাম, অর্থাৎ পাইনের বনের কোলে দাঁড়িয়ে মেঘেদের দেশ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সুযোগ রয়েছে। ধোত্রেতে জনবসতি কম, হাতে গোনা ৮০ পরিবারের বাস। থাকার জায়গাও সীমিত। তবে সারা বছর জুড়েই প্রকৃতির মাঝে নিরিবিলি পরিবেশে পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই রয়েছে।
জিটিএ-এর অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের ফিল্ড ডিরেক্টর দাওয়া শেরপা বলেন, আমরা পাহাড়ি গ্রাম ধোত্রেকে জিটিএ এলাকার মধ্যে প্রথম ‘পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন গ্রাম’ হিসেবে ঘোষণা করেছি। এই গ্রামের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবদিক থেকে এই গ্রামকে বাকি গ্রামগুলি থেকে অনেকটাই আলাদা করে রেখেছে, আর সব থেকে বড় জিনিস এই গ্রামের বাসিন্দারাই নিজেদের গ্রামকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বেশি উদ্যোগী।
আরও পড়ুনঃ বাড়িতে তুলসীর সঙ্গে রাখুন এই একটি জিনিস, অভাব আপনাকে ছুঁতে পারবে না! জানাচ্ছেন বিশিষ্ট জ্যোতিষী
সান্দাকফু ট্রেকিংয়ের জন্যেও অনেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই ধোত্রে গ্রামের রাস্তা কি বেছে নেয় কারণ এই পথে যেমন রয়েছে নির্জনতা তেমনই আকাশছোঁয়া পাইন বন এবং মনমুগ্ধ করা রোডোডেনড্রন মনমুগ্ধ করবে আপনার। জিটিএ পর্যটন দফতরের পক্ষ থেকে এই গ্রামের মুকুটে জুড়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ভরপুর সেরা গ্রামের তকমা। আপনিও যদি পাহাড়ে গিয়ে কোনও ডেসটিনেশনে পাহাড়ের কোলে কিছুটা সময় কাটাতে চান তাহলে এই ধোত্রে হতে পারে আপনার স্বর্গরাজ্য।
সুজয় ঘোষ





