advertisement

Chhath Puja Rituals: চৈত্রের ভরা বসন্তে সূর্যাঘ্য, রীতিনীতি পালন করে চৈতী ছটপুজো উদযাপন পুণ্যার্থীদের

Last Updated:
Chhath Puja Rituals: কার্তিক মাসের মত,চৈত্র মাসে পালিত হয় ছট পুজো। চৈত্র মাসের ষষ্টি তিথিতে ছট ব্রত করে থাকেন ব্রতীরা। কালচিনি ব্লকের বিভিন্ন এলাকার নদীগুলির পাড়ে দেখা গেল ছট ব্রতীদের ভিড়। অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য দিলেন তাঁরা।
1/5
কালচিনি, অনন্যা দে : কার্তিক মাসের মত,চৈত্র মাসে পালিত হয় ছট পুজো। চৈত্র মাসের ষষ্টি তিথিতে ছট ব্রত করে থাকেন ব্রতীরা। কালচিনি ব্লকের বিভিন্ন এলাকার নদীগুলির পাড়ে দেখা গেল ছট ব্রতীদের ভিড়। অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য দিলেন তাঁরা।
কালচিনি, অনন্যা দে : কার্তিক মাসের মত,চৈত্র মাসে পালিত হয় ছট পুজো। চৈত্র মাসের ষষ্টি তিথিতে ছট ব্রত করে থাকেন ব্রতীরা। কালচিনি ব্লকের বিভিন্ন এলাকার নদীগুলির পাড়ে দেখা গেল ছট ব্রতীদের ভিড়। অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য দিলেন তাঁরা।
advertisement
2/5
কালচিনি,জয়গাঁ ও দলসিংপাড়ার নদীর ঘাটগুলি পুন্যার্থীরা কলা গাছ ও ফুল দিয়ে সাজিয়ে অর্ঘ্য দিলেন অস্তগামী সূর্যকে।জাঁকজমক দেখা না গেলেও পুজোর সঙ্গে মিশে গেল পুন্যর্থীদের ভাবাবেগ। ছট পুজো দুবার হয় একটি কার্তিক মাসে আরেকটি চৈত্র মাসে। এই মাসের ছট পুজো চৈতি ছট নামে পরিচিত।
কালচিনি,জয়গাঁ ও দলসিংপাড়ার নদীর ঘাটগুলি পুন্যার্থীরা কলা গাছ ও ফুল দিয়ে সাজিয়ে অর্ঘ্য দিলেন অস্তগামী সূর্যকে।জাঁকজমক দেখা না গেলেও পুজোর সঙ্গে মিশে গেল পুন্যর্থীদের ভাবাবেগ।ছট পুজো দুবার হয় একটি কার্তিক মাসে আরেকটি চৈত্র মাসে। এই মাসের ছট পুজো চৈতি ছট নামে পরিচিত।
advertisement
3/5
পুন্যার্থীদের পক্ষ থেকে জানা যায়, এই তিথিতে দেবী যমুনা পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এই জন্য এই ছট পুজোকে যমুনা ছট বলা হয়ে থাকে।চারদিন ধরে চলে পুজো। প্রথম দিন নাহায়-খায়, দ্বিতীয় দিনে খরনা পুজো, তৃতীয় দিনে অস্তগামী সূর্যের পুজো। চতুর্থ দিনে ভোরবেলায় উদিত সূর্যের পুজো দেওয়ার পর শেষ হয় নিয়ম।
পুন্যার্থীদের পক্ষ থেকে জানা যায়, এই তিথিতে দেবী যমুনা পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এই জন্য এই ছট পুজোকে যমুনা ছট বলা হয়ে থাকে।চারদিন ধরে চলে পুজো। প্রথম দিন নাহায়-খায়, দ্বিতীয় দিনে খরনা পুজো, তৃতীয় দিনে অস্তগামী সূর্যের পুজো। চতুর্থ দিনে ভোরবেলায় উদিত সূর্যের পুজো দেওয়ার পর শেষ হয় নিয়ম।
advertisement
4/5
সকাল থেকেই ছট ঘাটে যেতে দেখা যায় পুন্যর্থীদের। সকাল বেলাতে গিয়েই কলাগাছ মাটিতে পুঁতে ঘাট তৈরি করেন পুন্যার্থীরা। কোনও বাঁশ ও কাপড় দিয়ে তৈরি ঘাট দেখা যায়নি।নদীর থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে জলে নেমে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য দেন ব্রতীরা। এরপর আরতি করে পুজো শেষ হয়।
সকাল থেকেই ছট ঘাটে যেতে দেখা যায় পুন্যর্থীদের। সকাল বেলাতে গিয়েই কলাগাছ মাটিতে পুঁতে ঘাট তৈরি করেন পুন্যার্থীরা। কোনও বাঁশ ও কাপড় দিয়ে তৈরি ঘাট দেখা যায়নি।নদীর থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে জলে নেমে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য দেন ব্রতীরা। এরপর আরতি করে পুজো শেষ হয়।
advertisement
5/5
মহিলারা একে অপরের কপালে সিঁদুর পড়িয়ে দেন। আগামীকাল ভোরে আবারও একই স্থান থেকে পুজো করবেন তারা। কার্তিকের ছট পুজোর মতই এই পুজোর নিয়ম। কার্তিকের ছট পুজোর মত গঙ্গা আরতির ব্যবস্থা এমনকি মেলার ব্যবস্থা ছিল না ঘাটগুলিতে। তাই শিশুদের খুব সাবধানে রেখেছিলেন তাঁদের মা, বাবারা।
মহিলারা একে অপরের কপালে সিঁদুর পড়িয়ে দেন। আগামীকাল ভোরে আবারও একই স্থান থেকে পুজো করবেন তারা। কার্তিকের ছট পুজোর মতই এই পুজোর নিয়ম।কার্তিকের ছট পুজোর মত গঙ্গা আরতির ব্যবস্থা এমনকি মেলার ব্যবস্থা ছিল না ঘাটগুলিতে। তাই শিশুদের খুব সাবধানে রেখেছিলেন তাঁদের মা, বাবারা।
advertisement
advertisement
advertisement