Dangerous Fish: এক টুকরো পেটে গেলেও শরীরের সাংঘাতিক ক্ষতি! বাজারের এই সাধারণ মাছ 'বিষের খনি', বাড়ে ক্যানসারের আশঙ্কা
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Dangerous Fish: মাগুর মাছের মতো হলেও দৈর্ঘ্য ৩ ফুট থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত হয়। ওজন হয় অনেক কেজি। গবেষকরা বলছেন, এটি ক্যাটফিশ প্রজাতির মাছ, যা একেবারে খাওয়া উচিৎ নয়। বৈজ্ঞানিকভাবে এই মাছের নাম 'ক্লারিয়াস গারিপিনাস'।
*মাছ খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুবই বিরল। মাছ এবং ভাত, অনেকেরই প্রধান খাদ্য। তবে কিছু কিছু মাছ খুবই বিপজ্জনক শরীরের জন্য। অনলাইন হেলথ কোচিং প্ল্যাটফর্ম নিউট্রিশনের তালিকাভুক্ত পুষ্টিবিদ এবং শীর্ষস্থানীয় ডায়েটিশিয়ান ভ্যালেরিয়া বলেন, "নিয়মিত মাছ খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাছে পারদ বেশি থাকে, যা খেলে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়।
advertisement
*কেউ একে হাইব্রিড মাগুর বলে, আবার কেউ বলে থাই মাগুর। দেখতে মাগুর মাছের মতো হলেও দৈর্ঘ্য ৩ ফুট থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত হয়। ওজন হয় অনেক কেজি। গবেষকরা বলছেন, এটি ক্যাটফিশ প্রজাতির মাছ, যা একেবারে খাওয়া উচিৎ নয়। বৈজ্ঞানিকভাবে এই মাছের নাম 'ক্লারিয়াস গারিপিনাস'। এই মাছ তাদের কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্রের অঙ্গগুলির মাধ্যমে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে। এরা মাটিতে চলাফেরা করতে পারে। এই মাছটি রাক্ষস মাগুর মাছ নামেও পরিচিত।
advertisement
advertisement
advertisement
*গবেষকরা বলছেন, থাই মাগুর মাছ সবচেয়ে বেশি কার্সিনোজেনিক। এ কারণে এসব মাগুর মাছ খেলে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও মাছের চর্বি থেকে শুরু করে সবকিছুই মানবদেহে বাড়তি সমস্যা তৈরি করার সম্ভাবনা থাকে। ভারতে থাই মাগুর মাছের চাষ বা বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ হলেও, কলকাতার কোনও কোনও বাজারে বিক্রি হয় এই থাই মাগুর।
advertisement









