কুণাল সরকার জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তার অপারেশন করার পরেও নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে। আজকে চিকিৎসা করার পরেও ফলোআপ করা খুব জরুরী। বর্তমানে অনেকে ফলো-আপ করতে চান না। যার কারণে আবার হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হার্টের চিকিৎসার জন্য সেই রকম ভাবে ব্যবস্থা নেই। তাই সরকারের কাছে আবেদন করব, যাতে ভাল রকম ভাবে এনজিওগ্রাম হার্টের চিকিৎসা মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শুরু করা হোক।
advertisement
আরও পড়ুন: প্রাথমিকের টেট নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে পর্ষদ! নকল পরীক্ষার্থী ধরা পড়বে মুহূর্তে! জানুন
তিনি এক পরিসংখ্যানে জানান, ভারতবর্ষে এক রাতে দেড় লক্ষ হার্ট অ্যার্টাক হয়। তার মধ্যে ২০হাজার মানুষ আর বাড়ি ফিরে আসে না। তাই তাঁর আবেদন মুর্শিদাবাদ জেলাতে আরও ভাল ক্রিটিক্যাল কেয়ার সার্পোট করতে হবে।ডাঃ কুণাল সরকার এও জানান, হাটের চিকিৎসা মাসে হয় না। ঘণ্টা ও মিনিটে হয়। যারা সরাসরি আসতে পারেন না চিকিৎসা করানোর জন্য, তারা টেলি মেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন। মুর্শিদাবাদ জেলার যা জনসংখ্যা তাতে অতি দ্রুত হার্টের জন্য আরও ভাল চিকিৎসা করার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। গনতন্ত্রে আধুনিকতা এলেও হার্টের চিকিৎসা ক্ষেত্রে আধুনিকতা প্রয়োজন বলেই সরব হন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কুণাল সরকার।
কৌশিক অধিকারী





