মূলত এটি চিকা ভবন সমাধি এলাকায় প্রবেশ কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। মালদহ জেলার ধ্বংসাবশেষ শহর প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে একাধিক বিলাসবহুল প্রবেশদ্বারের মত তৈরি হয়েছিল এই স্থাপত্য। ইতিহাসবিদদের মতে, এই নির্মাণকে প্রথমে দেখলে মনে হবে যেন ভবন। তবে এটি কোন ভবন নয়, গৌড় দুর্গ দিয়ে সুলতানি রাজপ্রাসাদ এলাকা এবং চিকা ভবন সমাধি এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রবেশদ্বার। যেখানে প্রহরীরা নজরদারি পাশাপাশি রাজধানীতে আসা বিশেষ ব্যক্তিত্বদের স্বাগত জানাতেন।
advertisement
জেলার ইতিহাস গবেষক এম আতাউল্লাহ জানান, “ধ্বংসাবশেষ গৌড়ে অনুসন্ধান সময়কালে প্রত্নতাত্ত্বিক আবেদ আলী খান সাহেব গৌড়ে আসেন। সেই সময় গৌড়ের অন্যান্য স্থাপত্য বেরিয়ে এলেও। গৌড় দুর্গের মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল এই স্থাপত্যটি। এরপর সেখানে খনন কার্যের পর এই নির্মাণটি বেরিয়ে আসে। যা গুমটি দরওয়াজা নামে পরিচিত। অনুমান করা হয় এই নির্মাণটি মূলত সুলতান হুসেন শাহ আমলে তৈরি।”
আরও পড়ুন: গোটা বই নয়! জীবনবিজ্ঞানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে পড়ুন এটা! নম্বর উঠবে ৯০ শতাংশের কাছে
ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এই নির্মাণটি আনুমানিক ১৫১২ সালে নির্মিত হয়। একটি গম্বুজ বিশিষ্ট চারিদিকে খিলান খোলা এই নির্মাণটি গৌড়ের অন্যতম প্রবেশদ্বার বলে মনে করা হয়। সুলতানি রাজত্ব না থাকলেও। অসাধারণ কারুকার্যে ভরা ৫০০ বছর পুরনো প্রাচীন বাংলার এই স্থাপত্য আজও সুলতানি আমলের ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে মালদহ জেলার ধ্বংসাবশেষ গৌড় নগরীতে।





