সরকারি বিশেষ আইনজীবী বিভাষ চট্টোপাধ্যায় জানান, তদন্ত ঠিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। শতদ্র দত্তর যে দুটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেটাকে অ্যাটাচ করা হোক। দর্শকদের টিকিটের বরাদ্দ টাকা ভাগ করে দিক। দেখা গিয়েছে মেসির জন্য যে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল, সেই অ্যাকাউন্ট থেকে দশ কোটি টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে সরিয়েছিলেন শতদ্র। শতদ্র দত্তের আইনজীবী সৌমজিৎ রাহা বলেন, ‘এখন যে অবস্থায় তদন্ত রয়েছে, আটকে রেখে কোন মানে হয় না। জামিন দেওয়া হোক। যে কন্ডিশন দেবে সেই কন্ডিশনে আমি রাজি।’ দু পক্ষের কথা শুনে বিচারক জামিন বাতিল করে ১৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতে নির্দেশ দেয়।
advertisement
তদন্তে উঠে এসেছে, মাঠে প্রবেশের পর লিওনেল মেসির গায়ে ও পিঠে একাধিকবার হাত দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে মেসি বিরক্ত হয়ে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের বিষয়টি জানান। নিরাপত্তারক্ষীরা গোটা পরিস্থিতির কথা শতদ্রু দত্তকে জানালে, তিনি তড়িঘড়ি অ্যানাউন্সমেন্ট করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। দেড় ঘণ্টার জন্য নির্ধারিত অনুষ্ঠান মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যেই শেষ করে মাঠ ছাড়েন মেসি। তদন্তকারীদের কাছে শতদ্রু দত্ত জানান, মেসি মাঠে ঢোকার পর কতক্ষণ থাকবেন, তা নিয়ে যে ফ্লোচার্ট আগে থেকেই তৈরি করা হয়েছিল, মাঠে প্রবেশের পরই সেই পুরো পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে।
