প্রকল্পগুলির প্রধান বৈশিষ্ট্য:
(১) রায়গঞ্জ – ইটাহার নতুন রেলপথ প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য
• বিস্তৃতি: রায়গঞ্জ থেকে ইটাহার (২২.১৬ কিমি)
• প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয়: ১২৯.৩৪ কোটি টাকা
• স্টেশন সংখ্যা: ৪টি (রায়গঞ্জ, রূপাহার হল্ট, দুর্গাপুর এবং ইটাহার)
• রাজ্য: পশ্চিমবঙ্গ
• তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব: উত্তরবঙ্গের রেল নেটওয়ার্ককে আরও সুসংগঠিত করবে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে পণ্য ও যাত্রী পরিবহণকে ত্বরান্বিত করবে।
advertisement
• অবকাঠামো: এই প্রকল্পে ৬টি বড় সেতু এবং ৪২টি ছোট সেতু (আরইউবি সহ) নির্মিত হবে।
(২) গাজোল – ইটাহার নতুন রেলপথ প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য:
• বিস্তৃতি: গাজোল থেকে ইটাহার (২৭.২০ কিমি)।
• প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয়: ৮৫.৫৯ কোটি টাকা।
• স্টেশন সংখ্যা: ৩টি (গাজোল, বাাঙর হল্ট এবং ইটাহার)।
• রাজ্য: পশ্চিমবঙ্গ।
• তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব: এই সংযোগটি উত্তরবঙ্গের সমন্বিত গেজ পরিবর্তন নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করবে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলমুখী পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও মসৃণ করে তুলবে।
• অবকাঠামো: প্রকল্পে ১২টি বড় সেতু এবং ৩৭টি ছোট সেতু (আরইউবি সহ) নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে ।
(৩) রায়গঞ্জ – ডালখোলা নতুন রেলপথ প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য:
• বিস্তৃতি: ডালখোলা থেকে রায়গঞ্জ (৪৩.৪৩ কিমি)।
• প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয়: ২৯১.৫৩ কোটি টাকা।
• স্টেশন সংখ্যা: ৫টি (রায়গঞ্জ, বিলাসপুর হল্ট, টুনিদিঘি, করণদিঘি এবং ডালখোলা)।
• রাজ্য: পশ্চিমবঙ্গ
• তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ও অগ্রগতি: এই নতুন রেলপথটি ডালখোলা ও রায়গঞ্জের মধ্যে একটি অত্যন্ত দক্ষ ট্রানজিট রুট তৈরি করে যাত্রার সময় কমিয়ে স্থানীয় বাণিজ্যে জোয়ার আনবে।
• অবকাঠামো: এই বৃহৎ প্রকল্পে ১৩টি বড় সেতু, ৬টি রেল ওভারব্রিজ (আরওবি), ৯৭টি ছোট সেতু এবং ৩২টি আরইউবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উত্তরবঙ্গের এই প্রবেশদ্বার অঞ্চলে রেল অবকাঠামোর এই ধরনের আধুনিকীকরণ তাৎপর্যপূর্ণ, লজিস্টিক এবং জনকল্যাণমূলক ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে, যা সামগ্রিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে এক নতুন দিক যোগ করবে।
