নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় থাকা বড় আবাসনগুলির মধ্যেই বুথ তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত শতাধিক আবাসনে বুথ বসানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে মোট ৭৮টি আবাসনের একটি তালিকা কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে, যেখানে বুথ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
advertisement
‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব’, ধরনামঞ্চ থেকে বিজেপিকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার!
কমিশন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, আবাসনের মধ্যে যে বুথগুলি তৈরি করা হবে সেগুলি আকার ও পরিকাঠামোর দিক থেকে সাধারণ ভোটকেন্দ্রের মতোই হবে। ভোটারদের যাতায়াতের অসুবিধা কমানো এবং ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণ বাড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আবাসনের মধ্যে মোট কতগুলি বুথ তৈরি হবে, তার চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ধারণ করা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে নিউজ১৮ বাংলার ‘সোজাসাপটা’ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সারা বছর একসঙ্গে ভাল থাকতে পারলে ভোটের সময় এই ভাগাভাগি কেন? ৩৬৫ দিন তো আপনাদের মিলেমিশে থাকতে হবে। আপনাকে বাজারেও যেতে হবে, অফিসেও যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে থাকলে বিপদের সময় আপনিও বন্ধুও পাবেন।”
উল্লেখ্য, একদিকে যেমন ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, অন্যদিকে তেমনই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আবাসনের মধ্যে ভোটকেন্দ্র তৈরির বিষয়টি নিয়ে একধাপ এগিয়ে গেল কমিশন।
