একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এক অভিযোগপত্র—বাংলা-বিরোধী দিল্লির সেই ‘জমিদার’-দের বিরুদ্ধে। এক অভিযোগপত্র—বাংলার ন্যায্য পাওনা তহবিল ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখার বিরুদ্ধে। এক অভিযোগপত্র—বাংলার বরেণ্য মনীষীদের অবমাননার বিরুদ্ধে। এক অভিযোগপত্র—নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে। এক অভিযোগপত্র—‘SIR’-এর মাধ্যমে বাংলার ভোটারদের ভোটাধিকার হরণের যে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র তারা করছে, তার বিরুদ্ধে। এক অভিযোগপত্র—বাংলার শিরায় শিরায় তারা যে সাম্প্রদায়িক বিষ ঢেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে।
advertisement
এক অভিযোগপত্র—আমাদের ‘মা, মাটি, মানুষ’-এর ওপর বছরের পর বছর ধরে চাপিয়ে দেওয়া অবহেলা, বৈষম্য, বিভাজন, বঞ্চনা এবং অপমানের বিরুদ্ধে। বীরভূমের লাভপুরে আমি ভালোবাসা, উষ্ণতা এবং স্নেহের যে বিপুল জোয়ার প্রত্যক্ষ করেছি, তা আমাকে আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ করে তুলেছে। আমি লাভপুরের মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছি—আপনারা শ্রী অভিজিৎ সিনহা (রানা)-কে ভোট দিন; আর সেই সঙ্গে এই বার্তা পৌঁছে দিন যে—বাংলা বহিরাগতদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগপত্র গ্রহণ করে না। বরং অভিযোগপত্র বাংলাই জারি করে। আর ৪ঠা মে, বিজেপি-র বিরুদ্ধে বাংলা পেশ করবে—অভিযোগপত্রেরও সেরা সেই ‘মহা-অভিযোগপত্র’।”
প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ‘চার্জশিট’ পেশ করল বিজেপি। ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই এই চার্জশিট তুলে ধরেন। অনুপ্রবেশ, দুর্নীতি এবং জনবিন্যাসের পরিবর্তন—এইসব ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।
অমিত শাহের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে। তাঁর দাবি, এখানে সকল সরকারি আধিকারিক ক্যাডারে পরিণত হয়েছে । বাংলার মানুষ বিজেপির উপর ভরসা করে। অনেক খারাপ রাজ্যকে সুশাসন এ পরিণত করেছে এটাই বিজেপির ট্রাক রিপোর্ট । এখানেও সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে। তাঁর কথায়, “বাংলার মানুষ এবার অরাজকতার জবাব ভোটেই দেবে।”
