জয়নগরের প্রাক্তন সাংসদ হলেও তরুণ মণ্ডল হাওড়া দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা৷ ওই কেন্দ্রের ২৭৯ নম্বর বুথের ভোটার তিনি৷ পেশায় চিকিৎসক প্রাক্তন সাংসদ জানিয়েছেন, এসআইআর-এর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানিতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে৷ তখন কমিশনের নির্দেশ মেনেই যাবতীয় নথি জমা দিয়েছিলেন তিনি৷ তবে সাংসদের নাম বাদ গেলেও দ্বিতীয় তালিকায় বৈধ ভোটার হিসেবে জায়গা পেয়েছে তাঁর স্ত্রীর নাম৷
advertisement
নাম বাদ যাওয়ায় ক্ষুব্ধ তরুণবাবু বলেন, প্রাক্তন সাংসদ হওয়ার পাশাপাশি আমি দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি করেছি৷ অবসরগ্রহণের পর পেনশনও পাই৷ তার পরেও যদি আমার বাদ যায়, তাহলে সাধারণ এবং রাজ্যের প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে কী ঘটছে, তা সহজেই অনুমেয়৷ আমি নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানিয়েছি৷ কিন্তু চারপাশ থেকে যা খবর পাচ্ছি তাতে কমিশনের কাজে ভরসা পাচ্ছি না৷ তাই আমি লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকেও গোটা বিষয়টি জানাচ্ছি৷ তবে আমার স্ত্রীর নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে, সেটাই কিছুটা স্বস্তির৷
সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম বাদ যাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালকে চিঠি লিখে বিষয়টি জানিয়েছেন জয়নগরের প্রাক্তন সাংসদ৷ একই সঙ্গে লোকসভার অধ্যক্ষ এবং রাষ্ট্রপতিকেও নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়ে চিঠি লিখেছেন তিনি৷
২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়নগর কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন এসইউসিআই-এর তরুণ মণ্ডল৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য এবার ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে প্রাক্তন সাংসদকেও৷
দু দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় প্রায় ২২ লক্ষ নাম প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক৷ কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় ৪০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফার তালিকা থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ নাম বাদ গিয়েছে৷
