২০২৫ সালে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ জয় ইতিহাস গড়েছে। ঝুলন গোস্বামীর উত্তরসূরিদের সেই বিশ্ববিজয়ই এখন অনুঘটকের কাজ করছে মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে। বেলদার মাঠে প্র্যাকটিস সেশনে এখন মেয়েদের দাপট চোখে পড়ার মত। কারও আদর্শ মহেন্দ্র সিং ধোনি কিংবা হার্দিক পান্ডিয়া, কেউ আবার মজে শিলিগুড়ির মেয়ে রিচা ঘোষের কিপিংয়ে। এক সময় মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে সামাজিক অনীহা থাকলেও, রিচাদের সাফল্য এখন বাংলার অলিগলিতে নতুন স্বপ্নের বীজ বুনে দিয়েছে।
advertisement
আলাদা পরিকাঠামো বা আলাদা মাঠের বালাই নেই। তাই ছেলেদের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে নেট প্র্যাকটিস চলে সকাল-বিকেল। পেস বোলিংয়ের গতি হোক বা স্পিনের মায়াজাল— কোনও বিভাগেই পিছিয়ে নেই এই কিশোরীরা। তাঁদের এই লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবার। রক্ষণশীলতার আগল ভেঙে মা-বাবার হাত ধরেই তারা মাঠে আসছে। অভিভাবকদের একটাই বক্তব্য, “মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই, সুযোগ পেলে ওরাই মুখ উজ্জ্বল করবে।”
জঙ্গলমহলের অলিগলিতে এখন তৈরি হচ্ছে আগামীর রিচা ঘোষেরা। ভয়ডরহীন এই ক্রিকেটীয় লড়াই বুঝিয়ে দিচ্ছে, কেবল ফুটবল নয়, বাইশ গজের লড়াইয়েও বাংলার মেয়েরা এবার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে। তাদের লক্ষ্য এখন একটাই— লক্ষ্যভেদ করে একদিন জাতীয় দলের নীল জার্সি গায়ে চাপান।
Ranjan Chanda





