ভারতীয় রেলওয়েতে অ্যান্টি-লিটারিং আইনের মূল দিকসমূহ:
পরিসরের সংজ্ঞা: এই আইন রেলওয়ের সমগ্র এলাকা জুড়ে প্রযোজ্য, যার মধ্যে স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম ও ট্র্যাক অন্তর্ভুক্ত।
নিষিদ্ধ কার্যকলাপ: ট্র্যাক, স্টেশন বা ট্রেনের কামরায় আবর্জনা ফেলা, থুতু ফেলা, প্রস্রাব/মলত্যাগ করা বা কাপড়/বাসন ধোয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
জরিমানা: প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অপরাধীদের উপর জরিমানা আরোপ করা হয়।
advertisement
প্রয়োগ: রেল সুরক্ষা বাহিনী (RPF) এবং অনুমোদিত কর্মীরা পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের জন্য জরিমানা আরোপ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
বিক্রেতাদের দায়িত্ব: অনুমোদিত বিক্রেতা ও ক্যাটারারদের ডাস্টবিন রাখা বাধ্যতামূলক এবং সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব তাদের উপর বর্তায়; ব্যর্থ হলে তাদেরও জরিমানার সম্মুখীন হতে হয়।
চলতি আর্থিক বছরে ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত পূর্ব রেলওয়ের RPF রেল পরিসরে আবর্জনা ফেলার অপরাধে ৬,২০,৯০৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অপরাধীদের কাছ থেকে ₹১,২১,৫৯,৯০০ টাকা জরিমানা বাবদ আদায় করেছে।
তবে মনে রাখবেন, শুধুমাত্র জরিমানা কখনওই একটি আবর্জনামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে না। সকল ব্যবহারকারীর সম্মিলিত সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসই পারে যাত্রাকে সত্যিকার অর্থে আনন্দময় করে তুলতে।
পূর্ব রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী মিলিন্দ দেওস্কর বলেছেন, সকল রেল ব্যবহারকারীদের উচিত রেলওয়ের এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করা এবং রেল পরিসর ও রেললাইনকে আবর্জনামুক্ত রাখতে একযোগে এগিয়ে আসা। রেলওয়ের পরিচ্ছন্নতার আহ্বানকে একটি গণআন্দোলনে পরিণত করতে হবে, যেখানে যাত্রী, বিক্রেতা ও সকল অংশীদার সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে।
