অভিষেক বলেন, ‘‘ঠিক এই কারণেই বিচারিক কর্তৃত্বকে দুর্বল করা হয়েছে এবং ভারতের প্রধান বিচারপতিকে সিইসি (CEC) নির্বাচন প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়গুলোতে রাজনৈতিক ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
advertisement
যারা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন, তাঁরাই এখন সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে সংবিধানের মূল ভিত্তিকেই ক্ষুণ্ণ করছেন। এ একাধারে কর্তব্য ও গণতন্ত্র—উভয়েরই সঙ্গেই চরম বিশ্বাসঘাতকতা। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর জন্য এ এক অত্যন্ত উদ্বেগজনক অধঃপতন!’’
প্রসঙ্গত, বিতর্কের শুরু সাত বছরের পুরনো নির্বাচন কমিশনের এক চিঠিকে কেন্দ্র করে৷ ২০১৯ সালের ১৯ মার্চের ওই চিঠিটি মুখ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের পাঠানো হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে সাত বছরের পুরনো ওই চিঠি৷ সোমবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সোশ্যাল মিডিয়ার ওই চিঠি পোস্ট করে তোপ দাগেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। যদিও ওই পোস্ট মুছে ফের নতুন করে একটি পোস্ট করেন৷ যেখানে চিঠির তলায় বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক ‘পদ্ম’ চিহ্নের সিলমোহর রয়েছে৷ নয়া পোস্টে নির্বাচন কমিশনকে দুষেছেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া৷ এবার ওই বিতর্কিত চিঠি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ কমিশন সূত্রের খবর, ২০১৯ সালের ওই ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
