প্রতি বছরে সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে দেখা যায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে। সোমবারও যুবদিবসে স্বামীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও স্বামীজিদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়ে যান তিনি। জানান, এই দিনে প্রতিবছরই এখানে আসি। এই দিন এখানে স্বামীজির কথাই আলোচিত হওয়া উচিত। তাঁর আদর্শকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। এখানে মানুষ আসেন এবং বিশ্ব সৌভ্রাতৃত্বের উপর বিশ্বাস রাখেন।
advertisement
এরপরই সেখানে পৌছন রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব। তার মধ্যে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শশী পাঁজার সঙ্গে সামনা সামনি সাক্ষাৎ হয় শমীক ভট্টাচার্যের। দু’জনে সৌজন্য বিনিময়ও করেন। তারপরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে প্রবেশ করেন। যুব দিবসের সকালে এর মধ্যে দিয়েই কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে রাজনীতির উত্তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যে একটি নজির হয়ে রইল।
শমীক ভট্টাচার্য জানান, ‘‘একে রাজনৈতিক সৌজন্য বলে। আমরা দু’জনেই পরস্পরকে চিনি। একসঙ্গে বিধানসভায় বিধায়ক ছিলাম। ফলে দেখা হলে কথা তো বলতেই হয়। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই।’’ অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা জানালেন, “প্রতিবছর স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানাতে সিমলা স্ট্রিট আসি। আজ সেখানে স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা এবং ফুল অর্পণের পর বেরোনোর সময় রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও পূর্ব পরিচিত সৌজন্য বিনিময় হল। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।” দুই দলের রাজ্যের শাসক এবং বিরোধী শিবিরের দুই জুজুধান নেতৃত্বের মুখোমুখি সৌজন্য বিনিময় রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
