শনিবার ইকো পার্কে মর্নিং ওয়াক শেষে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হয়, বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী কবে ঘোষণা হবে? তিনি বলেন, ”হয়ে যাবে, সব প্রসেসিং-এর মধ্যে আছে। নির্বাচনের আগেই ঘোষণা হবে।” তবে, কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে মুখ খোলেননি দিলীপ ঘোষ।
advertisement
এদিকে, তৃণমূলের রাজ্যসভায় মনোনীত প্রার্থী প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার। সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষের সুরে বলেন, ”যে একুশে জুলাই তৃণমূল পালন করে, সেই শহিদ দিবসে যারা গুলি চালিয়েছেন, তাদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমএলএ করেছেন, মন্ত্রী করেছেন। আর রাজীব কুমার তো ওঁকে (পড়ুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সঙ্গ দিয়েছেন এত বছর। সমস্ত ভাল-মন্দতে সঙ্গে ছিলেন। তাঁকে তো পুরস্কার দেওয়া উচিত। তাই দিচ্ছেন।”
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামীকেও প্রার্থী করেছে তৃণমূল। সেই প্রসঙ্গে দিলীপের জবাব, ”ঠিক আছে। রাজ্যসভায় যাকে খুশি পাঠাতে পারেন। পাঠিয়েওছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো অন্য রাজ্যের লোককে আগেও পাঠিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এতদিন বোঝা বইছেন, এবার নামিয়ে দেবেন ইলেকশনে।”
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে৷ বিধায়ক সংখ্যার নিরিখে এর মধ্যে চারটি আসনেই তৃণমূলের জয় নিশ্চিত৷ একটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা বিজেপি-র৷ তবে বিজেপি-র হাতে যা বিধায়ক সংখ্যা রয়েছে, তাতে তাদের একটি আসনেই জয় নিশ্চিত৷ ফলে তৃণমূল মনোননীত চারজন প্রার্থীরই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় যাওয়া কার্যত নিশ্চিত৷
