শুক্রবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই রায় ঘোষণা করে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের পর সাজা দেওয়ার ঘটনা ঘটল। রায়ে আদালত বলেন, ইউন সুক–ইওল তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন এবং বৈধ গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে বাধা দিয়েছেন, যা ক্ষমতার চরম অপব্যবহার।
advertisement
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬৫ বছর বয়সী ইউনের বিরুদ্ধে সরকারি নথি জালিয়াতি এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদন ছাড়াই অসাংবিধানিক উপায়ে সামরিক আইন জারির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে যখন বিচারক সাজা ঘোষণা করছিলেন, তখন ইউনকে অনেকটা বিমর্ষ ও রোগা দেখাচ্ছিল। তবে সাজা শুনে তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাননি।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ইউনের আইনজীবী ইউ জং-হওয়া বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।’ অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা ইউনের বিরুদ্ধে আনা রাষ্ট্রদ্রোহের অন্য একটি মামলায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন। ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি সংসদ স্থগিত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করার মাধ্যমে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।”
