জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে প্রথমে রমেশকে গ্রেফতার করা হয়। এর পর গ্রেফতার করা হয় ওলিকে। ঘটনাচক্রে শুক্রবারই নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বলেন্দ্র। Gen Z আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন তিনি।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস। ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব-সহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় রাজপথে নেমে আসে Gen-Z। জ্বলে ওঠে কাঠমান্ডু, পোখরা, জনকপুর। নির্বিচারে চলে সরকারি দফতরে ভাঙচুর ৷ তবে সব কিছুই শেষ হয়। মাস দু’য়েকের মধ্যেই নিভে যায় এই জেন জি-র ক্ষোভের আগুনের আঁচ। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি।
advertisement
এর পরে গত ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচন হয় নেপালে। ঝাপা-৫ আসন থেকে দাঁড়ান বলেন্দ্র। তাঁর বিপরীতে ছিলেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। বলেন্দ্রর জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ওলিকে ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দেন তিনি। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন বলেন্দ্র।
গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে যে দুর্নীতি বিরোধী Gen Z আন্দোলন মাথাচাড়া দেয়, তাতে প্রথম দিনই কমপক্ষে ১৯ জন মারা যান। দু’দিনে মারা যান ৭৬ জন। ২ হাজার ৫২২ জন আহত হন বলে জানা যায়। তদন্তকারীদের দাবি, চোখের সামনে সব দেখেও কোনও পদক্ষেপ করেননি ওলি। গুলি চালানো বন্ধ করার নির্দেশ দেননি। শেষপর্যন্ত বলেন্দ্র ক্ষমতায় আসতেই গ্রেফতার হলেন ওলি ৷
