ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের আলোচনার অবস্থান এখন অনেকটাই প্রভাবিত হচ্ছে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর দ্বারা, যারা সাম্প্রতিক সংঘাতের পর দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ বিবেচনাধীন ছিলেন ৩৪০ জন ভোটার, বাতিল সব নাম! বসিরহাটের এক বুথেই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা ঘিরে বিস্ময়
advertisement
ইরানের মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে—
উপসাগরে সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ, হামলার ক্ষতিপূরণ, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজ থেকে ফি আদায়ের অধিকার, ইজরায়েলের হামলা বন্ধ, সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে কোনও সীমাবদ্ধতা না রাখা।
অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে রয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান। ওয়াশিংটনের ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের পূর্ণ প্রবেশাধিকার এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমানোর মতো শর্ত রাখা হয়েছে।
এই দুই অবস্থানের মধ্যে তীব্র ফারাক থাকায় আলোচনার পথ কঠিন হয়ে উঠেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী এবং জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই পরোক্ষভাবে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝেও থামেনি সংঘাত। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ইজরায়েলের পাল্টা বিমান হামলায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
