স্থানীয় মানুষজন জানায়, দিন কয়েক আগে তাদের কাছে ফোন আসতে শুরু করে এলপিজি গ্যাস অ্যাকাউন্টে সাবসিডি মিলবে অর্থাৎ যে সাবসি সরকারিভাবে পাওয়া যায় সেই সাবসিডি বেশি ঢুকবে বা একাউন্টে কোন রকম সমস্যা রয়েছে সেই সমস্যার সমাধান করে দেওয়া হবে বলে ফোনে জানানো হচ্ছে, সাধারণ মানুষকে লোভ দেখানো হচ্ছে হাজার হাজার টাকার।
advertisement
আরও পড়ুন: কর্মীদের জন্য বিশাল খবর আসছে নতুন বছরে, পেনশন ও বেতনে বাম্পার বৃদ্ধি!
কেউ লোভে পড়ে কেউবা সমস্যার কথা শুনে ওই প্রান্তে ফোনে কথা বলা ব্যক্তির কথা মত ওটিপি এসএম এস শেয়ার করছেন আর তাতেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে একাউন্টের টাকা। গ্রামীণ ব্যাঙ্কে একাউন্ট থেকে টাকা লোপাট, যদিও তারা পরবর্তী সময়ে ব্যা যোগাযোগ করলে একাউন্টগুলি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেই জানান তারা। এই ঘটনায় স্থানীয় মানুষজন ব্যাংকে অভিযোগ করছেন কিভাবে তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং বিভিন্ন তথ্য প্রতারকদের কাছে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাড়ল না কমল? সোনা-রুপোর আজকের দাম জেনে নিন বিনিয়োগ-কেনাকাটার আগে!
এই ঘটনার সূত্রপাত, প্রায় মাস খানেক আগে থেকে। এক এক করে এই প্রতারিত হওয়ার সংখ্যা বাড়তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পাশাপাশি এ বিষয়ে গ্রামের মানুষ পুলিশে জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত কোনও রকম সহযোগিতা মেলেনি বলেই অভিযোগ তাদের।
এক গ্রাহক চৈতালি দাস জানান, প্রথমে তার জায়ের মোবাইলে ফোন আসে জানায়, দিল্লি থেকে তারা কথা বলছে গ্যাসের ভর্তুকি বাবদ ৮ হাজার টাকা তাদের দেয়া হবে তবে একটি অ্যাকাউন্টে নয় দিতে হবে দুটি অ্যাকাউন্ট নাম্বার, তাই তার জায়ের অ্যাকাউন্ট এবং তার একাউন্ট দেয়। তাদের অ্যাকাউন্ট নাম্বার দেয়ার পর ওটিপি পাঠালে তারা যায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয় বলেই অভিযোগ করেন। গ্রামের একাধিক মানুষের সঙ্গে এই প্রতারণা হয়েছে বলে জানা যায় সে সমস্ত মানুষ তাকিয়ে রয়েছে প্রশাসনের দিকে।
রাকেশ মাইতি





