আইএসএফ-এর দাবি, ব্যক্তিগত কারণে ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শেখ আনসার আলি। এর আগে গত ৩ এপ্রিল চেঙ্গাইলে একটি প্রচার সভার আয়োজন করেছিল আইএসএফ। সেখানে প্রধান বক্তা ছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। তবে প্রার্থী শেখ আনসার আলি সেই সভায় ছিলেন না। আর তারপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তুমুল জল্পনা শুরু হয়।
advertisement
আইএসএফের হাওড়া জেলার সম্পাদক ও উলুবেড়িয়া পূর্ব ও দক্ষিণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক আফতাব মোল্লা বলেন, ‘আমাদের প্রার্থী ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানিয়েছে। আমরা প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নতুন প্রার্থীর নাম খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।’
এদিকে সম্প্রতি আরও এক প্রার্থীর জন্য মুখ পুড়েছে আইএসএফ-এর। কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী শাহজাহান আলি কাদরি। তবে শাহজাহানের দাবি, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। আইএসএফ নেতার দাবি, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, অন্য একটি গ্রামে ছিলেন। শাহজাহানের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে নওশাদও দাবি করেছেন, ‘অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে লাভ হবে না। নির্বাচনে আইএসএফ-এর জয়ের সম্ভাবনা দেখে ভয় পেয়েছে দুই প্রধান দল। তাই পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে এই ঘটনায় আইএসএফ-এর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
