এনআইএ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় আন্দোলনের পরিকল্পনা, অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা এবং ঘটনার আগে-পরে কী কী ঘটেছিল, তা বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা প্রতিটি অভিযুক্তের বক্তব্য মিলিয়ে দেখছেন, যাতে কোনও অসঙ্গতি থাকলে তা চিহ্নিত করা যায়।
‘আমাকে রাজ্যসভার সদস্য করেছিল ঠিকই…’ তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরেই আক্ষেপ মৌসমের!
‘কলকাতায় হামলা করব’! ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর, কী শর্ত দিলেন তিনি?
advertisement
এদিকে, গতকাল মোথাবাড়ি বিডিও অফিসেও পৌঁছয় এনআইএ-র একটি দল। সেখানে ছয়জন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সুপার আগে যে তথ্যগুলি এনআইএ-র ডিআইজি-কে জানিয়েছিলেন—বিশেষ করে ঘটনার সময়কাল এবং উদ্ধারকাজের বিবরণ—সেগুলি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে খতিয়ে দেখা হয় এবং তথ্যের মিল যাচাই করা হয়।
অন্যদিকে, এনআইএ-র আরও একটি দল কালীচক থানায় গিয়ে এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জানা গিয়েছে, ১ এপ্রিল যদুপুর মোড়ে টোটো ও মাইকের ব্যবস্থা করার সঙ্গে ওই ভলেন্টিয়ারের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুরো ঘটনার নেপথ্যে কোনও সুসংগঠিত পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে এনআইএ। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন তথ্য সামনে আসছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
