জবাব দিলেন বামফ্রন্টের বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সোমবারই ১৯২টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন তিনি। শতরূপের প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কোনও বিষয়ই নয়। শতরূপ পার্টির কাজ করতে চাইছেন। প্রার্থী আর হতে চাইছে না। যদি কেউ প্রার্থী আর না হয়ে পার্টি করতে চায়, তাহলে তাঁকে স্বাগত। ১৯৫৯ সাল থেকে আমাকেও বার বার প্রার্থী করতে চেয়েছে। কিন্তু আমি হইনি। তার মানে যাঁরা প্রার্থী হতে চায় না, তাঁরা দল করবে। অসুবিধে কী আছে!’
advertisement
নির্বাচনী ময়দানে প্রথমবার শতরূপকে দেখা যায় ২০১১ সালে। রাজ্যে সেবছরই পালাবদল হয়। আর সেই পালাবদলের সময় তৃণমূলের জাভেদ আহমেদ খানের কাছে হেরে যান শতরূপ। এরপর ২০১৬ এবং ২০২১ সালেও কসবা থেকে তিনি সিপিএমের প্রার্থী হন। তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও নির্বাচনী ময়দানে এখন পর্যন্ত জয় পাননি শতরূপ। নির্বাচনী ময়দানে জয় না পেলেও বক্তৃতায় নজর কাড়েন।
আরও পড়ুন: ‘এক ফোঁটা জায়গা দেব না’, প্রার্থীপদ পেয়েই মাঠে নেমে চ্যালেঞ্জ মীনাক্ষীর! বামেদের নজরে উত্তরপাড়া
নিউজ চ্যানেলগুলির বিতর্কসভায় সিপিআইএমের প্রতিনিধি হিসেবে দেখা যায় তাঁকে। তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করেন। কখনও কখনও তাঁর সরস ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যে বিতর্কসভায় হাসির রোল ওঠে। প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করতে ইতিহাসের পাতা থেকে তথ্য তুলে ধরেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা সিপিএমের এই তরুণ নেতা এবার মন দিয়ে দল করতে চাইছেন। আর তাতে সায় দিয়েছেন দলের প্রবীণ চেয়ারম্যান বিমান বসুও।
