কর্মী কাদের? তা বোঝার জন্য অনুষ্ঠান বাড়ির বাসনকে হাতিয়ার করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বাসনের গায়ে লাল কালিতে লেখা বাম শরীকদলের নাম আরএসপি। অন্যদিকে, পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেস। তারাও এলাকায় জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে বাসন সিস্টেম শুরু করেছে। তাদের বাসনেও লেখা সবুজ কালিতে টিএমসি। পিছিয়ে নেই বিজেপি, প্রকাশ্যে না দেখালেও তাদেরও বাসন দেওয়ার সিস্টেম চালু রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
আর এই সিস্টেম প্রথম চালু করেছিল বাম শরীক দল আরএসপি। বাড়িতে যে কোনও উৎসব অনুষ্ঠানে দলের কাছ থেকে বাসন নিলেই বোঝা যেত তারা কোন দলের সমর্থক। নদিয়ার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ধুবুলিয়ার চুপিপোঁতা গ্রামে এখনও পর্যন্ত এই বাসন সিস্টেম চালু রয়েছে তা শুধুমাত্র কর্মী সমর্থক চেনার জন্য। এতে নাকি বুথ ওয়ারী গণনা বা স্ক্রুটিনিতে ও সুবিধা হয়। দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই বাসন নেওয়াকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আর তাতেই বোঝা যায় কে কোন দলের সমর্থক।
আরএসপির কাছ থেকে অনুষ্ঠান বাড়ির রান্নার নিলে তারা বুঝতে পারে ওই পরিবার তাদের সমর্থক এবং তৃণমূলের কাছ থেকে যারা বাসন নেয় তাদেরও বুঝতে অসুবিধা হয় না সেই পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক। এই ভাবেই এলাকায় সমর্থক চেনার উপায় এই বাসন দেওয়াকে কেন্দ্র করেই। এই প্রথা চালু করেছিল প্রথম বাম শরীক দল আরএসপি। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর তারাও বামেদের পথেই হাঁটতে শুরু করে। তাই গামলা, পিতলের কড়াই থেকে শুরু করে বালতি সবকিছুতেই লেখা থাকে দলের নাম। কোথাও আরএসপি, কোথাও তৃণমূল, আর এখন কোথাও আবার বিজেপি।





