অভিযোগ , অভিযুক্ত প্রথমে মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মহিলাকে এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এর পর বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার একইভাবে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারিণীর দাবি, ঘটনাগুলি প্রকাশ্যে আনলে তার সন্তানকে খুন করা এবং সামাজিকভাবে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়। ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে।
advertisement
সম্প্রতি অভিযুক্ত আবারও অশ্রাব্য ভাষায় মহিলাকে গালিগালাজ করে, অশালীন প্রস্তাব দেয় এবং হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিত্তিতে গাইঘাটা থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
দিন দুই আগেই এক নির্মম ধর্ষণের অভিযোগ সামনে আসে তেলঙ্গানায়। জল চেয়ে বাড়িতে ঢুকে সরকারি কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ। যৌনাঙ্গে ঢোকানো হয় লোহার রড, অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নির্যাতিতাকে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, মহিলার কাছে এক ব্যক্তি জল খেতে চায়। তিনি ওই ব্যক্তিকে জল দেন। অভিযোগ, তার পরই মহিলাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। মহিলা এক জন সরকারি কর্মী, পালনাড়ু জেলার মাচেরলা শহরের বাসিন্দা। পুলিশ জানতে পেরেছে, মহিলা যখন অভিযুক্তকে জানান, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত, তখন তাঁর যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
অনিরুদ্ধ কির্তনীয়া, বনগাঁ
