জলদাপাড়া ওয়াইল্ডলাইফ ডিভিশনের দলগুলি দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করছে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। প্রতি রাতে ২৫ টিরও বেশি দল বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন থাকে। এই দলগুলির অধিকাংশই স্থানীয় কর্মী—আপনাদেরই অঞ্চলের মানুষ—যারা ২৪×৭ কাজ করছেন মানুষ-হাতি সংঘাত কমানোর জন্য। যেসব এলাকায় ভুট্টা চাষ বেশি, সেখানে অতিরিক্ত ১৫ টি বিশেষ দল মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি দলে ৩ জন স্থানীয় গ্রামবাসীকে দৈনিক ভিত্তিতে দায়িত্ব দিয়ে নিয়োজিত করা হয়েছে ফসল সুরক্ষার জন্য। এইসব এলাকাগুলি হল জলদাপাড়া, নতুনপাড়া, সালকুমার, যোগেন্দ্রনগর, রাইচাঙ্গা, মেজবিল, পশ্চিম কাঠালবাড়ি, সুরিপাড়া, মুন্সিপাড়া, সিধাবাড়ি, ধৈধই ঘাট, কলাবাড়িয়া, বংশীধরপুর, মণ্ডলপাড়া, ব্যাংডাকি, খাওচাঁদপাড়া। এইসব অঞ্চলগুলি জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের পূর্ব, পশ্চিম, এবং দক্ষিণ রেঞ্জের অন্তর্গত।
advertisement
পর্যবেক্ষকদের জন্য রেখে যাওয়া চাল ডাল সবজি খেয়ে গেল বুনো হাতি। সঙ্গে জয়ন্তী বনবাংলোর রান্নাঘরও ভেঙে দিয়েছে। রাতে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জয়ন্তী বনবাংলোতে হামলা চালায় একটি হাতি। এই বনবাংলোর রান্না ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে বুনো হাতিটি। জানা গিয়েছে জয়ন্তী বন বাংলোতে নির্বাচনের পর্যবেক্ষকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা সেখানে ছিলেন না। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা সার্কিট হাউসে থাকছেন। ফলে জয়ন্তী বন বাংলোতে তারা থাকছেন না। কিন্তু তাদের জন্য জয়ন্তী বন বাংলোতে সব ব্যবস্থা করে রাখা আছে।
