নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আপিলের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ইপিক (EPIC) নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। এর ফলে আবেদন যাচাই ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে জমা পড়া সমস্ত আপিলের নিষ্পত্তির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকদের উপর। প্রশাসনের একাংশের মতে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এই আপিলগুলি নিষ্পত্তি করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
advertisement
হরমুজ পেরিয়ে মাঝসমুদ্রে ‘ইউ-টার্ন’! ভারতে আসার পথে ইরানি তেলবাহী জাহাজ হঠাৎ কেন ঘুরে গেল চিনের দিকে?
শুভেন্দুর বিতর্কিত মন্তব্য! তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে রিপোর্ট, ভিডিও ফুটেজও তলব কমিশনের
এই প্রক্রিয়াকে কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশনের তরফে বিভিন্ন জেলার জন্য পৃথক আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট এলাকা ভিত্তিক আপিল শুনানি ও নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করবে। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রে এই ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বে রয়েছেন T. S. Sivagnanam। তাঁর তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট এলাকার আপিলগুলির শুনানি সম্পন্ন হবে।
সিইও দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই ডিইও-দের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় রেখে দ্রুত আপিল নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
