এদিন মোদির ব্রিগেডের আগেই গিরিশ পার্ক এলাকায় তৃণমূল -বিজেপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ এদিন সেই কথা দিয়েই বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মোদি৷ বলেন, ‘‘আজ বিজেপি কর্মীদের এই মিছিলে আটকানোর জন্য সব রকম হাতিয়ার ব্যবহার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাস ভেঙেছে পোস্টার লাগিয়েছে। কিন্তু আজকের জনসভা বন্ধ করতে পারেনি।’’
advertisement
তারপরেই মোদি বলেন, ‘‘এবার বাংলায় জঙ্গলরাজ খতম হবে। বাংলার প্রত্যেক কোণ থেকে আওয়াজ উঠছে, ‘চাই বিজেপি সরকার’। কুরশি বাঁচানোর জন্য এখানকার নির্মম সরকার সব হাতিয়ার বার করে ফেলেছে। আপনাদের আটকাতে গাড়ি থামিয়েছে। সেতু বন্ধ করেছে… কিন্তু নির্মম সরকার দেখে নাও, তোমরা কাউকে দমিয়ে রাখতে পারোনি। কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। সে দিন আর দূরে নেই। এ বার আইনের শাসন শুরু হবে। যে আইন ভাঙবে, সবাইকে খুঁজে খুঁজে বার করা হবে।’’
বাংলার কর্মসংস্থান নিয়েও এদিন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন মোদি৷ বলেন, ‘‘ বাংলার মানুষ একটা সময় এগিয়ে ছিল। একটা সময় গোটা দেশকে দিশা দেখাত। শিল্পে এগিয়ে ছিল এই রাজ্য। এখানকার যুবক এখন ডিগ্রি পাচ্ছে না কাজ পাচ্ছে না রোজগার পাচ্ছে না। এখানকার ছেলেমেয়েদের কাজের জন্য অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে।’’
তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘চাকরি বিক্রির’ অভিযোগ তুলে বলেন, ‘‘এখানকার নির্মম সরকার যুবক-যুবতীদের পালিয়ে যাওয়ার অভিশাপ দিয়েছে। বাংলার যুবসমাজ মেহনতি। একসময় এই বাংলা সকলের আগে ছিল। আজ এখানকার যুবক-যুবতী না এখান থেকে ডিগ্রি পাচ্ছেন, না চাকরি। তাঁদের ভিনরাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, তার পর বাম এবং তৃণমূল… এরা একে একে এসেছে। নিজেদের পকেট ভরেছে। উন্নয়নের কাজ পড়ে থেকেছে। তৃণমূল সরকার প্রকাশ্যে চাকরি বিক্রি করেছে। এ বার সময় এসেছে এই হাল বদলের। বাংলায় যুবক-যুবতীরা এ বার বাংলায় কাজ পাবেন। এই স্বপ্ন পূরণের গ্যারান্টি মোদীর। তৃণমূল না নিজে কাজ করে, না অন্যদের কাজ করতে দেয়। কাটমানি না পেলে কোনও প্রকল্পকে গ্রামেগঞ্জে পৌঁছোতে দেয় না। তাই কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে পৌঁছোতে দেয় না। ’’
