সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‘পর্যটককে স্বাগত’! বঙ্গে ১৫ দিনের সফরে অমিত শাহকে কষা মাংস, ইলিশ-চিংড়ির নিমন্ত্রণে কটাক্ষ তৃণমূলের
advertisement
এছাড়াও, এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দু’টি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্টদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার পিছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল—তা খতিয়ে দেখতেই এই তলব। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের জেরে নড়েচড়ে বসেছে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণ কলকাতার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে লিখিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যকে ঘিরে অভিযোগ ওঠার পরই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ভিডিও ফুটেজও তলব করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামীকালের মধ্যেই সম্পূর্ণ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকিমূলক মন্তব্য করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
