নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে মাত্র একটি সেট ভিআইএস ছাপানো হবে। মনোনয়ন জমার শেষ দিন থেকে ভোটের পাঁচ দিন আগে পর্যন্ত এই স্লিপ বিতরণ চলবে। বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের মাধ্যমেই স্বাক্ষরসহ ভিআইএস বিতরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ভোটার বা তাঁর পরিবারের কোনও প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের হাতেই এই স্লিপ তুলে দেওয়া যাবে। একসঙ্গে বা বাল্ক আকারে ভিআইএস বিতরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
advertisement
ভ্যাঁপসা গরমে টয়লেটে আটকে ছাত্র! বাইরে থেকে তালা! আড়াই ঘণ্টার আর্তনাদও পৌঁছল না পুলিশের কানে
ভিআইএস দেওয়ার সময় প্রাপক ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ নেওয়া বাধ্যতামূলক। বিতরণ প্রক্রিয়া শেষ হলে ভোটের তিন দিন আগে সমস্ত নথি ইআরও-র কাছে জমা দিতে হবে। বিতরণের সময় রাজনৈতিক দলের এজেন্টরা বিএলও-দের সঙ্গে থাকতে পারবেন, তবে বিএলও-দের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়ে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ রয়েছে।
যেসব ভিআইএস বিতরণ করা যাবে না, সেগুলি সিল করে আরও/এআরও-র কাছে জমা রাখতে হবে এবং পরে আর তা বিতরণ করা যাবে না। এই অবিতরিত স্লিপগুলির ভিত্তিতে বাধ্যতামূলকভাবে এএসডি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
ভুয়ো ভোট রুখতে এএসডি তালিকাভুক্ত ভোটারদের জন্য বিশেষ নিয়মও জারি করা হয়েছে। এই তালিকার ভোটারদের ভোট দেওয়ার সময় ইপিক (EPIC) বা অনুমোদিত পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। কোনও এএসডি ভোটার ভোট দিতে এলে প্রথম পোলিং অফিসার তাঁর নাম উচ্চস্বরে ঘোষণা করবেন এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে একটি ঘোষণাপত্রও নিতে হবে।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করতে এই সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।
