জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতোই বহরমপুরে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলেন কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আর তখনই তৃণমূলের কর্মীদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ অধীর চৌধুরীকে। কংগ্রেস কর্মীদের দাবি, বহরমপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকারের নেতৃত্বে কিছু তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক, অধীর চৌধুরী যখন মিছিল নিয়ে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গলির ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলেন সেই সময় তাঁদের হেনস্তা করা হয়। যদিও বড় কোনও ঘটনা ঘটার আগে অধীর চৌধুরীর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন তাঁকে ওই এলাকা থেকে বার করে আনেন। তবে মিছিলের শেষে থাকা কিছু কংগ্রেস কর্মী সমর্থককে ‘ধাক্কাধাক্কি’ করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এগুলিই অটিজমের প্রাথমিক লক্ষণ! সন্তানের আচরণে কোন পরিবর্তন সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
১৯৯৬ সালে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথমবার বিধায়ক হয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। প্রায় ৩০ বছর পর ফের একবার তিনি কংগ্রেসের প্রতীকে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবছর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বহরমপুর কেন্দ্রে অধীর চৌধুরীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক তথা এ বছরও ওই কেন্দ্রের প্রার্থী সুব্রত মৈত্র।
এআইসিসি-র তরফ থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে অধীর চৌধুরীর নাম ঘোষণা করার পরই জোর কদমে তিনি বহরমপুর শহরে প্রচার শুরু করেছেন। বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রান্তে সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত তাঁকে কর্মী বৈঠক, পদযাত্রা করে নির্বাচনী প্রচার সারতে দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনার সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে কিছু লোক অধীর চৌধুরীকে ‘ধাক্কাধাক্কি’ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কোনওক্রমে অধীর চৌধুরীকে ওই এলাকা থেকে বার করে দেন।
এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একটি বিশেষ জন্তুর বাচ্চার সঙ্গে তুলনা করে অধীর চৌধুরী বলেন, “জন্তুর বাচ্চারা এর বেশি আর কী করবে? তবে আমাদের কোনও কর্মীদেরকে মারধর করার ক্ষমতা ওদের নেই। কিছু কংগ্রেস কর্মীকে ধাক্কাধাক্কি করা হয়েছে।” অন্যদিকে, গোটা বিষয়টিকে লঘু করে দেখিয়ে বহরমপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকার বলেন, “একটি সরু গলি দিয়ে মিছিলটি যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় আমাদের দলের কর্মীরা ওই গলি দিয়ে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপালের সমর্থনে একটি মিছিল করছিল। দু’টি মিছিল সামনাসামনি চলে আসায় ছোটখাটো একটি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।”





