সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন দেবজ্যোতি। পুলিশের তালিকায় তাঁর স্থান রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয়। খুব শীঘ্রই তিনি ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) পদে যোগ দিতে চলেছেন। দেবজ্যোতির বাবা তাপস হালদার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। ছেলের সাফল্যে গর্বিত তিনি। বলেন, যে মানসিকতা নিয়ে ও প্রশাসনে যেতে চেয়েছে, সেটা যেন কাজের মাধ্যমে সত্যি করে তোলে, এটাই আমার চাওয়া।
advertisement
আরও পড়ুনঃ সারাবছরই হবে ‘রোজ ডে’! বাড়ির বাগানে ফুটবে বিরাট সাইজের গোলাপ, কীভাবে ফুলে ভরবে গাছ? জানুন ট্রিক
মা রমা হালদার একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ছেলের শৈশবের কথা স্মরণ করে তিনি জানান, ছোটবেলায় দেবজ্যোতি পড়াশোনায় একেবারেই আগ্রহী ছিল না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্য স্থির করে কঠোর পরিশ্রমই আজ তাকে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। নিজের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে দেবজ্যোতি হালদার জানান, করোনার সময় প্রশাসন ও পুলিশের কাজ খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। ডাক্তাররা মানুষের প্রাণ বাঁচান, এটা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি-সহ সমাজের নানা ক্ষেত্রে বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে গেলে প্রশাসন বা পুলিশের মাধ্যমেই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছন সম্ভব। একজন চিকিৎসক থেকে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, দেবজ্যোতির এই যাত্রা নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।






