মুর্শিদাবাদ হাজারদুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঐতিহাসিক উৎকর্ষ কেন্দ্র। মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যেই একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এবার রাজ্য সরকার আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা শিক্ষার প্রসার ও অঞ্চলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় মুর্শিদাবাদ জেলার শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের কাজেও গুরুত্ব দেবে। এটি এলাকার শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
advertisement
সাংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে এক কোটি টাকার ব্যায়ে তোরণ তৈরি করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ও পর্যটন মানচিত্রে এক নতুন জায়গা করে নেবে এই ঐতিহাসিক তোরণ। কাটরা মসজিদ চত্বরে এই তোরণ নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী সভার বাজেট অধিবেশনের দিনেই চূড়ান্ত সীলমোহর পড়ে। একই সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গড়ে তোলা হবে একটি ‘ঐতিহাসিক উৎকর্ষ কেন্দ্র।’
মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যেই একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সরকারি তরফে জানানো হয়েছে, জেলার বিশাল আয়তন ও ক্রমবর্ধমান ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাজারদুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলেই স্থানীয় শিক্ষার মানচিত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই আশাবাদী শিক্ষা মহলে। মুর্শিদাবাদ বাংলার ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশেষ করে নবাবী আমলের সাক্ষী। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ‘ঐতিহাসিক উৎকর্ষ কেন্দ্র’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা জেলার পর্যটন জেলার পর্যটন এবং ঐতিহাসিক গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। এটি জেলার মানুষের আবেগ এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি কৌশলগত প্রয়াস বলেও মনে করা হচ্ছে।





