রবীন্দ্র সভাকক্ষে সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মশালায় বক্তৃতা দেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা ড. দেবজানি মণ্ডল, অধ্যাপক ড. অভিষেক বসু সহ অধ্যাপিকা মানালী বিশ্বাস এছাড়াও ফিজিক্স, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মন্ডলী। তাঁরা দৈনন্দিন জীবনে বায়োটেকনোলজির প্রয়োগ, গবেষণার সম্ভাবনা এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তৃতায় উঠে আসে ভ্যাকসিন উন্নয়ন থেকে কৃষিক্ষেত্রে জিনপ্রযুক্তির ব্যবহার, বায়োটেকনোলজির বিস্তৃত দিগন্ত। তবে এদিনের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ল্যাবরেটরি যন্ত্রের সরাসরি প্রদর্শনী।
advertisement
আরও পড়ুন: অফিস থেকে ফিরেও যাওয়া হবে হাসপাতালে, বিকেলেও মিলছে বড় ডাক্তার! নতুন উদ্যোগে হাজার হাজার টাকার সাশ্রয়
অটোক্লেভ, সেন্ট্রিফিউজ, ল্যামিনার এয়ার ফ্লো ও মাইক্রোস্কোপের কার্যপদ্ধতি হাতে-কলমে দেখানো হয় পড়ুয়াদের। শুধু দেখাই নয়, মিডিয়া প্রস্তুতকরণ, স্টেরিলাইজেশন ও অ্যাসেপটিক ইনোকুলেশনের প্রায়োগিক প্রশিক্ষণেও অংশ নেন তাঁরা। অনেকের কথায়, “বইয়ের পাতার বিজ্ঞান যেন এ দিন বাস্তবে ধরা দিল।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের দায়িত্ব প্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডঃ প্রসেনজিৎ নন্দ, আইকিউএসি সমন্বয়ক ড. সাগর সিমল্যান্ডি এবং টিসিএস মি. দিবাকর দাস সহ প্রমুখ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উক্ত অনুষ্ঠানে উঠে আসে “বর্তমান যুগে বিজ্ঞানচর্চা শুধু পরীক্ষাগারে সীমাবদ্ধ নয়, সমাজ ও মানবকল্যাণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ধরনের কর্মশালা ছাত্রছাত্রীদের বাস্তব জ্ঞান অর্জনে বিশেষ সহায়ক।” শেষে সকল অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় অংশগ্রহণের শংসাপত্র। ভবিষ্যৎ গবেষক ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তোলার এক আন্তরিক পদক্ষেপ, এমনটাই মনে করছেন শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।





