আরও পড়ুনঃ রোজ কী খান ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ নিজে? রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ৩ খাবারের তালিকা প্রকাশ্যে
ইংরেজিতে ভাল নম্বর পাওয়ার জন্য কিছু বেসিক নিয়ম মেনে চললেই যথেষ্ট। প্রশ্নের ধরন বুঝে লেখা, সাধারণ ব্যাকরণ ও শব্দভান্ডারে জোর দিলে সহজেই নম্বর ওঠে। তাছাড়া ইংরেজি পরীক্ষায় সময়ও তুলনামূলক কম লাগে। আত্মবিশ্বাস ও সঠিক প্রস্তুতিই ইংরেজিতে সাফল্যের চাবিকাঠি। মাধ্যমিকে ইংরেজি পরীক্ষায় মোট চারটি সিন প্যাসেজ, আনসিন প্যাসেজ, গ্রামার, রাইটিং স্কিল বিভাগ থাকে। সিন প্যাসেজের মধ্যে পাঠ্য পুস্তকের বিভিন্ন অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসে। পরীক্ষার আগে অন্তত সিন প্যাসেজ ভালভাবে প্রস্তুত করে রাখা জরুরি।
advertisement
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা তোদের ইংরেজি পাঠ্যপুস্তক “ব্লিস”, এই বইটি যদি ছাত্রছাত্রীরা খুব ভাল করে খুঁটিয়ে পড়েন এবং তার মধ্যে থাকা প্রত্যেকটি অনুশীলন ভালো করে প্র্যাকটিস করে তাহলে একেবারেই জলভাত হয়ে যাবে ইংরেজি পরীক্ষা। খুবই সাধারণ এবং চলতি ভাষায় ইংরেজি পরীক্ষা দিতে হবে। খুব কঠিন শব্দ ব্যবহার করলেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই সহজ-সরল ভাষায় ছোট করে উত্তর লিখতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীরা যেটা খাতায় লিখছেন এবং মাথায় যেটা ভাবছেন তার মধ্যে যেন কোন পার্থক্য না থাকে।
প্রশ্নপত্র হাতের পাওয়ার পর বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে প্রশ্ন-উত্তর লেখা ভাল। প্রথমে প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর নাম এবং রোল নম্বর ভালভাবে লিখে নিতে হবে। একইভাবে পরীক্ষায় প্রতিটি বিভাগে নম্বর বিভাজনের স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে, এবং সেই অনুযায়ী সময় ভাগ করে নিয়ে প্রশ্নপত্রটি ভালোভাবে পড়ে লেখা শুরু করতে হবে। সহজ সরল ভাষায় উত্তর লিখতে হবে। কঠিন শব্দ ব্যাবহার করলে ভুলের পরিমাণ বাড়তে পারে।





