এই কোর্সটির ভাবনা ও কাঠামো গড়ে উঠেছে দীর্ঘ গবেষণা, শিল্পক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, পড়ুয়া, ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থার গবেষক এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্পীদের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনার মাধ্যমে। ফলে এই পাঠ্যক্রমে একদিকে যেমন রয়েছে অ্যাকাডেমিক গভীরতা, তেমনই অন্যদিকে রয়েছে শিল্পক্ষেত্রের বাস্তব প্রয়োজন এবং ভারতীয় সংস্কৃতির স্বকীয়তা।
আরও পড়ুন: নেতাজিকে নিয়ে দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ নদিয়ায়, নতুন মূর্তিকে ঘিরে আবেগে ভাসল গয়েশপুর
advertisement
৩০ ঘণ্টার এই কোর্সটি আইআইটি খড়গপুরের ইন্ডিয়ান নলেজ সিস্টেমস (IKS) বিভাগের অধীনে পরিচালিত হবে। এখানে পাঠদান করবেন বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের পেশাদার, আইকেএস বিশেষজ্ঞ এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলার পারদর্শীরা। সাধারণ শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার গণ্ডি ছাড়িয়ে এই কোর্সে বিরল ও প্রথাগত ভারতীয় পারফর্মিং আর্টকে ব্যবহার করা হবে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের মধ্যে সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী চিন্তাধারা, আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান ক্ষমতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। প্রাথমিকভাবে এই কোর্সটি গ্রীষ্মকালীন পাঠ্যক্রম হিসেবে চালু করার পরিকল্পনা থাকলেও, ভবিষ্যতে এটিকে নিয়মিত অ্যাকাডেমিক কোর্সে রূপান্তরিত করার ভাবনা রয়েছে বলে জানান হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই প্রসঙ্গে আইআইটি খড়গপুরের ডিরেক্টর অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী বলেন, “নেতৃত্ব শিক্ষা কেবলমাত্র প্রযুক্তিগত দক্ষতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এর সঙ্গে সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের সংযোগ থাকা প্রয়োজন। ই-কালাকার-এর সঙ্গে এই সহযোগিতা ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থাকে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।” এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আধুনিক নেতৃত্ব শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সমন্বিত ও মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে চায় আইআইটি খড়গপুর।






