তাদের মধ্যে দুজন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার ও একজন সেন্ট্রাল কলকাতার নথিভুক্ত ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়। তবে তিন জনের বাড়ি বালুরঘাটেই। তারা এই বছর ব্যাঙ্গালোরে আয়োজিত ৪৬ তম জুনিয়র জাতীয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে।
আরও পড়ুন – Magic Pond: কলকাতার একদম কাছেই, পুকুরে ডুব দিলেই শরীরে আমূল বদল, ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ
advertisement
তবে এখন প্রশ্ন হলো এত খেলা রেখে ব্যাডমিন্টন কেন? গবেষকদের মতে, এর প্রধান কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি।এই খেলার মাধ্যমে শরীরে ব্যালান্স আসে।অন্যান্য দৌড়ঝাঁপের খেলাও শরীরের জন্য ভাল, তবে ব্যাডমিন্টন বা টেনিসের উপকারিতা বেশি। কারণ পুরো শরীর নড়াচড়া বেশি হয়। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক অমিতাভ ঘোষ খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য এই খেলা অত্যন্ত জরুরি।ব্যাডমিন্টন খেললে হার্ট রেট বাড়ে। যা ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন – Dengue Vaccine: এবার ডেঙ্গির গেম ওভার, ১ বছরের মধ্যে তৈরি হবে ভ্যাকসিন
প্রতি দিন ১ ঘণ্টা ব্যাডমিন্টন খেললে ৫০০ ক্যালরি পর্যন্ত ঝরানো যেতে পারে।নিয়মিত ব্যাডমিন্টন খেললে ঘুম ভাল হয়। ফলে কাজে মন বাড়ে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যাডমিন্টন সচিব অরিত্র তলাপাত্র জানান, এ ধরনের খেলায় রক্তে খারাপ চর্বির মাত্রা কমে, ভালো চর্বির মাত্রা বাড়ে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে। ডায়াবেটিসের রোগীরা হাঁটার বদলে ব্যাডমিন্টনও খেলতে পারেন। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে। সুস্থ ব্যক্তি খেলার অভ্যাস গড়ে তুললে পরবর্তী সময়ে তাদের এসব দীর্ঘমেয়াদি রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমবে। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিয়মিত ব্যাডমিন্টন খেললে হৃদপেশির কার্যক্ষমতা বাড়ে। সেইসঙ্গে বাড়ে ফুসফুসের অক্সিজেনের ধারণক্ষমতা। পেশিগুলোও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।শিশুর বাড়তি মেদ ঝরাতেও ব্যাডমিন্টন খেলা অত্যন্ত কার্যকর। শরীরের মাংস পেশিগুলো গঠনে সুন্দর ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
সুস্মিতা গোস্বামী





