দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের ভিকাহার গ্রামে অবস্থিত এই মন্দির। মন্দিরে আলোর একমাত্র উৎস প্রদীপ। প্রকৃতির আলো কিংবা বিদ্যুতের মাধ্যমে আলো জ্বালানো নিষিদ্ধ। একমাত্র প্রদীপের আলোতেই ভক্তরা পুজো করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এখানকার মা কালী অত্যন্ত জাগ্রত। দীপান্বিতা অমাবস্যা বা কালীপুজোর সময় এখানে বিশাল ভক্ত সমাগম ঘটে। কেবল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষই নন, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে ভক্তরা আসেন বাসিনী কালীর কাছে।
advertisement
মন্দিরে দেবী কালীর পুজো মূলত পঞ্চমুণ্ডির আসনের ওপর তান্ত্রিক মতে সম্পন্ন হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দেবীকে পরম শ্রদ্ধায় ‘বামাকালী’ নামেও ডেকে থাকেন। এখানকার শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশে প্রদীপের আলোয় মায়ের আরাধনা ভক্তদের কাছে এক আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।
কালী মন্দির জুড়ে ঐতিহ্যবাহী টেরাকোটার কাজ। যা সময়ের স্রোতে অবক্ষয়ের পথে এগোচ্ছে। সুদীর্ঘ বছর ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মন্দিরের একাংশ ভগ্নপ্রায়। গাছপালা, জঙ্গল ক্রমশ গিলে খাচ্ছে মন্দিরটিকে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দ্রুত মন্দিরের সংস্কার করা না হলে অদূর ভবিষ্যতে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বাসিনী কালীর এই মন্দির।
কীভাবে যাবেন ভিকাহারের মন্দিরবাসিনী কালী মন্দিরে? জানুন…
মন্দির থেকে নিকটবর্তী প্রধান রেলওয়ে স্টেশন হল বালুরঘাট। বালুরঘাট শহর থেকে ভিকাহারের দূরত্ব প্রায় ৩৫-৪০ কিলোমিটার। বালুরঘাট থেকে বাস বা গাড়ি ভাড়া করে তপন হয়ে সরাসরি ভিকাহার পৌঁছানো যায়।
