টিকাকরণ শুরুর মাস খানেকের মাথায় এদিন টিকা নিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এর আগে গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাও টিকা নিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকাটিই বাংলাদেশে দেওয়া হচ্ছে।
গত সাতাশে জানুয়ারি কুর্মিটোলা হাসপাতালের এক নার্সকে টিকা দেওয়ার মধ্যে দিয়ে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয় সেদেশে। তবে গণ-টিকাদান শুরু হয় ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে। সব জেলা উপজেলার এক হাজারের বেশি কেন্দ্র থেকে একযোগে শুরু হয় এই টিকাদান কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৮৫ লাখ ৮১ হাজার ১৬৯ জন টিকা গ্রহণ করেছেন।
advertisement
প্রথম দিনেই বেশ কয়েকজন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং পরবর্তীতে বিদেশি কূটনীতিকরা টিকা নিয়েছেন।এরপর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকা দেওয়ার আগ্রহ বাড়তে শুরু করে। প্রথম দিন ৩১ হাজার মানুষকে টিকা দিলেও পরের ছয় দিনে ৭ লাখের বেশি মানুষ টিকা নিয়েছিলেন।
গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন দেশের একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি নিজে টিকা নেবেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বলেন, "আমার একটা টিকার জন্য যদি আরেকটা মানুষের জীবন বাঁচে, সেটাই সবচেয়ে বড় কথা। আমাদের একটা টার্গেট করা আছে। সেই সংখ্যা পর্যন্ত যখন হবে, তখন যদি টিকা থাকে, তখন আমি নেব"। অবশেষে আজ নিজের টিকাটি নিলেন হাসিনা। টিকা নেওয়ার পর তিনি সুস্থ আছেন বলেই জানা গিয়েছে।
