মমতা বলেন, "ওরা আত্মনির্ভর ভারতের কথা বলত। অথচ দিল্লিতে ২০ জন অক্সিজেনের অভাবে মারা গেল। এত আত্মনির্ভর ভারত যে গ্যাস নেই স্যালাইন নেই ওষুধ নেই। বাংলায় নির্বাচন করতে ধ্বংস করে দিয়েছে গোটা ভারতকে। প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি। এই গোটা বিপর্যয়ের জন্য মোদি সরকার দায়ী।"
মমতা এদিন বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তোলেন রাজনৈতিক সভা থেকে। তিনি বলেন "ওয়ান নেশন ওয়ান লিডার বলছে যারা তারা ভ্যাকসিনের জন্য আলাদা আলাদা দাম ধার্য করেছেন কেন? কেন্দ্র যে ভ্যাকসিন ১৫০ টাকায় কেনে সেই ভ্যাকসিন ৪০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে কেন?" মমতার যুক্তি গুজরাট এবং উত্তরপ্রদেশ নিয়েই মাথাব্যথা কেন্দ্রের।
advertisement
গত করোনা অধ্যায়ের কথা মনে করিয়ে দিলেন মমতা। বললেন, "ওরা বলেছিল থালা বাজাও, ঘণ্টা বাজাও। থালা বাজালে সব হয়ে যাবে।? বারংবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও নির্বাচন কাঁটছাট না করায় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নেন মমতা। বলেন, বিজেপির আয়না নির্বাচন কমিশন।"
বাংলায় অক্সিজন সমস্যা নিয়েও এদিন মুখ খুলতে দেখা যায় মমতাকে। তিনি বলেন, বাংলার জন্য বরাদ্দ সেলের (SAIL) অক্সিজেন উত্তরপ্রদেশে পাঠানো হচ্ছে। একটা সমানুপাত থাকা উচিত। কেন্দ্রের পরিকল্পনার অভাবে ক্ষুব্ধ মমতা বলছেন, দেশের ওষুধের অনেকটাই বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন বিদেশে। এমনকী প্রধানমন্ত্রীর নিজের রাজ্যে বেশি পরিমাণ ওষুধ পৌঁছেছে বলেও অভিয়োগ করছেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই ভোট সংযুক্তিকরণের দাবি তুলে এসেছে তৃণমূল। কমিশন সেই কথায় কর্ণপাত করেনি। এদিকে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে করোনা। এদিন মমতা বলেন, কমিশনের কাছে আমরা কোনও বিচার পাচ্ছি না। বিজেপির কথা শুনে নির্বাচন কমিশন ভোট করায় কোভিড এতটা বেড়েছে।
মমতার অভিযোগ একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পুলিশ কথাবার্তা বলছেন। সেখানে তৃণমূলকে বোঝাতে ট্রাভেলমঙ্গার কোড ব্যাবহার করা হচ্ছে। এবং তৃণমূল-দুষ্কৃতীদের আটক করার কথা বলা হচ্ছে। মমতার প্রশ্ন, "কেন তৃণমূলের লোককে আগেভাগে আটক করা হবে বিজেপিকে সুবিধে দেওয়ার জন্য?"
