এর প্রধান কারণ সোনা এবং রুপোর চাহিদার ধরন আলাদা। সোনা মূলত বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে রুপোর ব্যবহার বেশি হয় শিল্পে। ইলেকট্রনিক্স, Solar panel, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং চিকিৎসার যন্ত্রপাতিতে রুপো লাগে। বিশ্ব জুড়ে অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়ার ফলে রুপোর চাহিদা অনেক বেড়েছে।
আরও পড়ুন: ২৪ জানুয়ারির মধ্যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ! CEO-কে নির্দেশ কমিশনের
advertisement
রুপোর দাম কম থাকাও দাম বাড়ার কারণ। রুপোর খনির উৎপাদন চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে না, কারণ অনেক রুপোর খনি আসলে সিসা, জিঙ্ক এবং তামার সাথেই চলে।
আর একটা অর্থনৈতিক দিক হল কমোডিটি সাইকেলে রুপো প্রথমে সোনার থেকে পিছিয়ে থাকে, পরে হঠাৎ করে অনেক বেশি বাড়ে। সোনার দাম কিছুটা স্থির হলে, বেশি লাভের আশায় মানুষ রুপোয় বিনিয়োগ করেন।
রুপোর দাম কত দিন এভাবে বাড়বে?
রুপোর দাম এই ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া কত দিন চলবে, সেটা নির্ভর করবে রুপোর জোগান ঠিক থাকে কিনা তার উপর। চাহিদার দিক থেকে রুপোর ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। সৌর বিদ্যুতে রুপোর ব্যবহার রয়েছে, সেই সঙ্গে রুপো বৈদ্যুতিক গাড়িতেও প্রয়োজন হয়, উন্নত ইলেকট্রনিক্সেও Silver conductivity দরকার।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে Exchange-traded product, futures, আর রিটেইল কেনা দ্রুত বদলাতে পারে যদি বাজারের সেন্টিমেন্ট বদলে যায়। বিশ্ব জুড়ে সুদের হার বেশি থাকলে, রুপোর মতো non-yielding asset চাপে পড়তে পারে। আবার সুদের হার কমার বা অর্থনৈতিক চাপের ইঙ্গিত এলে রুপোয় মানুষেরহ বিনিয়োগ বাড়বে।
রুপোর জোগান এখনও অনিশ্চিত। রুপোর দাম বাড়লে খনি মালিকরা উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহ পায়, কিন্তু এটা সময়সাপেক্ষ। নতুন খনি তৈরি হতে বছর লাগে, আর recycling supply কিছুটা সাহায্য করলেও, অল্প সময়ে বাজার বদলাবে না।
আরও পড়ুন: নিরাপত্তার জন্য লিভ-ইনে থাকা মহিলাদের স্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া উচিত: মাদ্রাজ হাই কোর্ট
অল্প সময়ে বিনিয়োগকারীদের উপর কী প্রভাব
Short-term ট্রেডারদের জন্য, Silver ৩ লাখের উপরে মানে অনেক ভোলাটিলিটি। Momentum স্ট্র্যাটেজি কাজ করতে পারে, কিন্তু risk management খুব দরকার।
VSRK Capital-এর ডিরেক্টর স্বপ্নীল আগরওয়াল বলেন, “ তরুণ বিনিয়োগকারীদের উচিত দাম কমার জন্য অপেক্ষা করা। রুপোর দাম টানা অনেকটা বেড়েছে, তাই দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন বিনিয়োগ করতে চাইলে ETF-এ ছোট ছোট বিনিয়োগ করতে পারেন, daily SIP-এর মতো নিয়মিত কেনা। এতে দাম কমলেও ঝুঁকি কিছুটা কমবে”।
লম্বা সময়ের জন্য বিনিয়োগকারীদের কী ভাবা উচিত
বড় সময়ের বিনিয়োগের জন্য, staggered entry নিতে পারেন, lump-sum elevated দামে না। এতে short-term peak এ ঢোকার ঝুঁকি কমে। যারা Silver আগেই কিনেছেন, তারা partial profit-booking করতে পারেন, যদি allocation দাম বাড়ার জন্য disproportionate হয়ে যায়।
“যাদের equity আর mutual fund exposure আছে, তাদের জন্য এখনকার দামে Silver এ ঢোকা ঠিক না। দাম বেশি, আর সামনে correction এর সম্ভাবনা থাকায় risk-reward কম। downside risk এখন বেশি, upside কম, তাই diversification-এর immediate appeal কমে গেছে,” বললেন Aggarwal।
ইনভেস্টমেন্টের ধরনও পরিষ্কার হওয়া দরকার। Physical Silver এ storage আর making charge লাগে, আর paper instrument দাম efficiently track করে, কিন্তু হাতে পাওয়া যায় না। কোনটা ভাল, সেটা investment goal এর ওপর নির্ভর করে।
এখন Buy, Hold, না Sell করবেন?
এক কথায় উত্তর নেই, কিন্তু কিছু সাধারণ নিয়ম আছে। যারা long-term আর কম exposure, তারা ভালো entry point-এর জন্য অপেক্ষা করতে পারেন, বা ধীরে ধীরে বিনিয়োগ করতে পারেন। যারা আগে থেকেই রুপো কিনে রেখেছেন, তারা hold করতে পারেন, কিন্তু দাম fundamentals ছাড়িয়ে গেলে trimming করতে পারেন।
