শাড়ি, ব্যাগ, টেডি বিয়ার, গলার হার, সাবান থেকে শুরু করে নানা রঙের ঘর সাজানোর সামগ্রী—সবকিছুতেই ফুটে উঠছে তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়া। বাড়ির মেয়ে ও বধূরা একত্রে কাজ করে সারা বছর এই সব উপকরণ তৈরি করছেন। আধুনিক ডিজাইন ও ঐতিহ্যবাহী কারুকার্যের মেলবন্ধনে তাঁদের তৈরি সামগ্রীর চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। শীতের মরশুম ও নতুন বছরের আগমনে এই হস্তশিল্পের সম্ভার আরও একবার নজর কাড়ে।
advertisement
বসিরহাটের টাউন হল মাঠে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে স্থান পায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি নানা সামগ্রী। প্রদর্শনীতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা, মিলছে নতুন বাজার ও পরিচিতি। বসিরহাটের ‘সেল এক্সপ্রেস’ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত কয়েকশো মহিলা বাড়িতে বসেই হস্তশিল্পের কাজ করছেন। অনলাইন বিক্রির পাশাপাশি মেলা, সরকারি অনুষ্ঠান ও উৎসবের সময় স্টল বসিয়ে তাঁরা নিজেদের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করছেন। এর ফলে নিয়মিত আয়ের পথ তৈরি হয়েছে, সংসারের খরচে মিলছে বাড়তি স্বস্তি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগের সুফল শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। স্বামীর রোজগারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সংসারের হাল ধরছেন মহিলারা। সন্তানের পড়াশোনার খরচ জোগানো থেকে শুরু করে পরিবারের নানা দায়িত্বে বাড়ছে তাদের আত্মবিশ্বাস। বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় হস্তশিল্প আজ বহু মহিলার কাছে স্বপ্নপূরণের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।





