সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সুপারি বাগানে চার থেকে পাঁচ ফুট চওড়া বেড তৈরি করে সামার স্কোয়াশ রোপণ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়। ঝুরঝুরে দোআঁশ কিংবা বেলে দোআঁশ মাটি এই ফসলের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সবচেয়ে আশার কথা, পোকার আক্রমণ হলে রাসায়নিকের বদলে নিমতেল ব্যবহার করেই ভাল ফল মিলছে বলে জানাচ্ছেন অভিজ্ঞ চাষিরা। শুধু খেয়াল রাখতে হবে যাতে সামার স্কোয়াশ মাটিতে না লেগে যায়, তা না হলে পোকা লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেকারণে, নিম তেল প্রয়োগের পাশাপাশি মাটিতে আচ্ছাদন দেওয়া প্রয়োজন।
advertisement
আরও পড়ুন: খাঁচায় আস্ত ছাগলের টোপ! বাঘ ধরতে বন দফতরের মেগা আয়োজন, টানটান উত্তেজনায় যা ঘটল ঝাড়খালিতে
জলপাইগুড়ির রামসাই কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, সামার স্কোয়াশ চাষ করে বিঘা প্রতি প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব। বিকল্প ফসল হিসেবে এই চাষের দিকেই এখন চাষিদের নজর ঘোরাতে চাইছে কেন্দ্র। এ বিষয়ে রামসাই কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ডঃ বিপ্লব দাস বলেন, “উত্তরবঙ্গের মাটি ও আবহাওয়া সামার স্কোয়াশ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এই ফসল থেকে ভাল বাজারদর মিলবে। কৃষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বীজও দেওয়া হচ্ছে, যাতে তাঁরা নিশ্চিন্তে চাষ শুরু করতে পারেন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রসঙ্গত, রামসাই কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে সামার স্কোয়াশ চাষ করা হয়েছে এবং তা সফল হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার মাটিতে এই ফসল চাষ করলে চাষিরা দ্বিগুণ লাভের মুখ দেখতে পারেন। কৃষির এই নতুন সম্ভাবনা এখন সত্যিই আশার আলো দেখাচ্ছে উত্তরবঙ্গের চাষিদের।





