লকডাউনের কঠিন সময়ে মাত্র ছ’টি কোয়েল পাখি দিয়ে শুরু করা উদ্যোগই আজ রূপ নিয়েছে কয়েক হাজার পাখির খামারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহবধূ সন্ধ্যা রায় কোয়েল পাখি প্রতিপালনের দিকে ঝুঁকেছিলেন সহজ যত্ন ও তুলনামূলক কম খরচের কারণে। হাঁস-মুরগির মতোই প্রতিপালন সহজ হলেও কোয়েলের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু বিষয়ে নজর দিলে লাভের অঙ্ক অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই কৌশলই কাজে লাগিয়ে আজ সফল তিনি।
advertisement
আরও পড়ুন: নবদুর্গা পুজো কমিটির অফিসে তাণ্ডব! ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুঠ, হুলস্থুল গড়িয়ায়
বর্তমানে সন্ধ্যা রায়ের খামারে রয়েছে হাজারের উপর কোয়েল পাখি। প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার কোয়েল ডিম বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিটি ডিম বিক্রি হয় তিন টাকা করে। পাশাপাশি কোয়েল পাখিও ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি করে ভাল আয় হচ্ছে বলে জানান তিনি। গড়ে মাসে লক্ষের কাছাকাছি রোজগার হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে, যদিও সবসময় একই রোজগার থাকে না। খামারের পাখিদের দেখভালের দায়িত্ব সম্পূর্ণ নিজের হাতেই সামলান সন্ধ্যা রায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাঁর এই সাফল্য শুধু নিজের স্বাবলম্বিতাই নয়, এলাকার অন্যান্য গৃহবধূ ও যুবকদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। কোয়েল প্রতিপালনের মাধ্যমে কীভাবে অল্প পুঁজি দিয়ে স্বনির্ভর হওয়া যায়, সেই পথই আজ দেখাচ্ছেন ঠাকুরনগরের এই গৃহবধূ।





