মালদহের কালিয়াচক ২ ব্লক-এর ধরমপুর গ্রামের বাসিন্দা নয়ন এক সময় ভিন রাজ্যে কাজ করতেন। পরে নিজের গ্রামেই সিমেন্টের রিং পাট ও অন্যান্য সামগ্রী তৈরির কাজ শুরু করেন। প্রায় ২৫ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত তিনি। বাড়ির সামনে ফাঁকা জায়গায় প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি রিং পাট তৈরি হয়। প্রতিটি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। একটি সম্পূর্ণ স্যাপটি ট্যাঙ্ক তৈরি ও বসাতে খরচ পড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। পাঁচজন শ্রমিক নিয়ে সারা বছরই চলছে স্যাপটি ট্যাঙ্ক রিং পাট তৈরির কাজ।
advertisement
প্রস্তুতকারক নয়ন মাহারা জানান, “পাথর, সিমেন্ট, বালি দিয়ে বাড়ির শৌচাগারের জন্য টেকসই ও মজবুত রিং পাট তৈরি করি। নিজে কাজের তদারকি করার পাশাপাশি পাঁচজন শ্রমিককে নিয়োগ করে পুরো প্রস্তুত প্রক্রিয়া সামলাচ্ছি। সারা বছরই এই রিং পাটের চাহিদা থাকে, ফলে কাজও বন্ধ থাকে না।” কাজে যুক্ত শ্রমিক মির আরবাজ আলী জানান, “এই কাজে নিয়মিত আয় হচ্ছে এবং গ্রামের মধ্যেই কাজ পাওয়ায় বাইরে যেতে হচ্ছে না। এতে সংসার চালান সহজ হয়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একসময়ের পরিযায়ী শ্রমিক আজ নিজের গ্রামেই সফল ক্ষুদ্র উদ্যোগপতি। বাড়ির বাগানেই গড়ে উঠেছে তাঁর রোজগারের কারখানা। শৌচালয়ের সিমেন্টের রিং পাট তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার এই উদ্যোগ এখন এলাকায় অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।





