Fuel Crisis: ইরান যুদ্ধেই বিশ্ব বাজার থেকে উধাও ৪ দিনের জ্বালানি! তেলের দামে ৫০% আগুন! দিশেহারা বহু দেশ!
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা, লাগামছাড়া তেলের দাম। চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে, পাশাপাশি ব্যবহার কমানোর চাপও বাড়ছে।
advertisement
গত ২ মার্চ Strait of Hormuz বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) পরিবহণ ব্যাহত হয়েছে। এর পাশাপাশি ইরান ও ইসরায়েলের হামলায় পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামো—গ্যাস ক্ষেত্র, তেল শোধনাগার ও রপ্তানি টার্মিনাল—ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষতি মেরামত করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
বিভিন্ন দেশের জরুরি পদক্ষেপপরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে। থাইল্যান্ডে বিদ্যুৎ ব্যবহারে কাটছাঁটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় চালু হয়েছে জ্বালানি রেশনিং। চিন জ্বালানি রপ্তানি কমিয়েছে, আর আমেরিকায় গাড়ির গতি সীমা কমানোর কথা ভাবছে।
advertisement
দিকে International Energy Agency-এর পরামর্শ, বাড়ি থেকে কাজ (work-from-home) বাড়ানো ও বিমান ভ্রমণ কমিয়ে জ্বালানির চাহিদা কমাতে হবে। পাশাপাশি রিজার্ভ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে, যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে তা মাত্র ২০ দিনের ঘাটতি পূরণ করতে পারবে।বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, শুধুমাত্র ব্যবহার কমিয়ে এই সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত চাহিদা কমাতে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে, জ্বালানি, রাসায়নিক, LNG এবং সার শিল্প—সব ক্ষেত্রেই ঝুঁকি বাড়ায় এই সংকট আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় অনেক বেশি গভীর ও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।







