এমন উদ্যোগ সত্যিই চোখ কপালে তোলার মতো। বাস্তবে সেটাই করে দেখাচ্ছে জলপাইগুড়ির রেসকোর্সপাড়ায় অবস্থিত সমাজকল্যাণ দফতর পরিচালিত কোরক হোমের আবাসিকরা। হোমের ভেতরে এখন কোথাও গাছে থোকা ধরে ঝুলছে টমেটো, কোথাও লঙ্কা, বাঁধাকপি, ফুলকপি। পাশাপাশি চাষ হচ্ছে ভুট্টা, পেঁয়াজকলি, ওল, লাউ-সহ একাধিক সবজি। রয়েছে পেঁপে, পেয়ারা ও গাঁদার মতো ফল-ফুলের গাছও। প্রতিদিন নিয়ম করে পরিচর্যা করছে শিশু-কিশোরদের একাংশ।
advertisement
উৎপাদিত সবজি সরাসরি চলে যাচ্ছে হোমের রান্নাঘরে। যার ফলে দৈনিক প্রয়োজনের প্রায় অর্ধেক সবজি মিলছে এই কিচেন গার্ডেন থেকেই। এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন হোমের সুপার গৌতম দাস। কৃষি প্রযুক্তি অফিসার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকেই তাঁর মাথায় আসে এই ভাবনা। তিনি জানান, হোমে আসার পর অব্যবহৃত জমি নজরে পড়ে। সেখান থেকেই শুরু হয় পরীক্ষামূলক চাষ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সাফল্য আসতেই ধীরে ধীরে জমির পরিমাণ বাড়ানো হয়। জৈবসার ব্যবহার করেই ভাল ফলন মিলছে বলে জানান তিনি। গৌতম দাসের কথায়, “অনেকেই পরিবার থেকে দূরে। সবুজের পাশে থাকাই ওদের মন ভাল রাখছে।” শুধু সবজি নয়, এই বাগান আবাসিকদের শিখিয়ে দিচ্ছে দায়িত্ব, পরিশ্রম আর ভবিষ্যতে কাজে লাগার মতো এক জীবনদক্ষতা। সবুজের মাঝেই যেন কোরক হোমে গড়ে উঠছে স্বপ্নের নতুন পাঠ।





