ইতিহাসের অসুসন্ধানীরা জানান, সুদূর অতীত থেকে অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতেও মুর্শিদাবাদ রেশম শিল্প ও ব্যবসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। মুর্শিদাবাদ সিল্ক সেই সময় থেকেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। জিআই পেলে সিল্কের ব্যবসা বৃদ্ধি পাবেই বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ী থেকে রেশম চাষিরা।
advertisement
অন্যদিকে, মির্জাপুরের শিল্পীরা জানিয়েছেন, তাঁরা এক থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত দামে মুর্শিদাবাদ ছাপা সিল্ক তৈরি করেন। ওই শাড়ি জিআই অন্তর্ভুক্ত হলে বিক্রি আরও বাড়বে, দামও বাড়বে। ফলে তাঁরা লাভবান হবেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় এক লক্ষ চার হাজার স্বয়ম্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। ১১ লক্ষ মহিলা ওই স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। তার মধ্যে ৬৫০টি স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর প্রায় আট হাজার মহিলা মুর্শিদাবাদ প্রিন্টেড বা ছাপা সিল্ক উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। ফলে জিআই আওতায় এলে তাঁদের বিদেশে রফতানির সুযোগ বাড়বে। তাঁরা সরাসরি ট্রেডারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বহরমপুর, ডোমকল, রানিনগর, জিয়াগঞ্জ-সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৯৯টি প্রতিষ্ঠান এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। মুর্শিদাবাদ সিল্ক ফ্যাব্রিক শিল্পের বার্ষিক ব্যবসা প্রায় ৩০ কোটি টাকার। মুর্শিদাবাদ সিল্ক থানকে জিআই ট্যাগ প্রদান করলে এর প্রকৃত পরিচয় সংরক্ষিত হবে এবং ভারতের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে। ফলে এখন খুশির হাওয়া রঘুনাথগঞ্জের মির্জাপুরে।





