কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র থেকে ১৫ দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরই এই চাষে হাত দেন তিনি। বর্তমানে তাঁর বাড়িতে দুটি ইউনিটে তিন প্রজাতির মাশরুম ওয়েস্টার, বাটন ও মিল্কি চাষ করা হচ্ছে। মাশরুম চাষি দিলীপ রবিদাস জানান, “একটি ইউনিটে ওয়েস্টার মাশরুম এবং অন্য ইউনিটে বাটন ও মিল্কি মাশরুম চাষ করা হয়। শীতকালে ওয়েস্টার ও বাটন এবং গ্রীষ্মকালে মিল্কি মাশরুম চাষ করা হয়। বাজারে ওয়েস্টার মাশরুম পাইকারি দরে কেজি প্রতি ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়। অন্যদিকে বাটন ও মিল্কি মাশরুমের চাহিদা আরও বেশি, যার দাম কেজি প্রতি ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও বাজারে ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন এই খাবার চাষ করে সারা বছরই ভাল আয় হচ্ছে।”
advertisement
এ বিষয়ে মালদহ জেলা উদ্যান পালন আধিকারিক সামন্ত লায়েক জানান, “বর্তমানে জেলায় প্রায় ৩০টি মাশরুম চাষের ইউনিট রয়েছে। জেলা উদ্যান পালন দফতরের উদ্যোগে চাষিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাশরুম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক চাষিকে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মালদহের এই চাষির সাফল্য জেলার অন্যান্য চাষিদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। কম খরচে, অল্প জায়গায় এবং সারা বছর আয়ের সুযোগ থাকায় মাশরুম চাষ মালদহ জেলার চাষিদের কাছে একটি লাভজনক বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে বলেই মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ থেকে চাষিরা।





