advertisement

Darjeeling Toy Train: ভেঙে চুরমার ১৪৪ বছরের রেকর্ড! টয় ট্রেনে কোটি কোটি বাড়তি আয় দার্জিলিং-হিমালয়ান রেলওয়ের, চোখ কপালে তুলবে টাকার অঙ্ক

Last Updated:
Darjeeling Toy Train: দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR) বা টয় ট্রেনের মুকুটে নতুন পালক। ২০২৪-২৫-এর ২১.২ কোটি টাকার রেকর্ড ছাপিয়ে ২০২৫ সালে আয় দাঁড়িয়েছে ২৪.৬ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, যাত্রী সংখ্যাও ২ লক্ষ ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। হেরিটেজকে সঙ্গী করেই এবার আয়ের নতুন মাইলফলকে পাহাড়ের এই ঐতিহ্য।
1/6
দীর্ঘ ১৪৪ বছরের ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ সাফল্যের মুখ দেখল দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (DHR)। ২০২৪–২৫ আর্থিক বছরে আয় ও পর্যটক—দু’দিক থেকেই ভেঙে গেল আগের সব রেকর্ড। এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পাহাড় জুড়ে, আর পর্যটন মহলের মতে, ‘খেলনা গাড়ি’ আবারও প্রমাণ করল তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তা। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
দীর্ঘ ১৪৪ বছরের ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ সাফল্যের মুখ দেখল দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (DHR)। ২০২৪–২৫ আর্থিক বছরে আয় ও পর্যটক—দু’দিক থেকেই ভেঙে গেল আগের সব রেকর্ড। এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পাহাড় জুড়ে, আর পর্যটন মহলের মতে, ‘খেলনা গাড়ি’ আবারও প্রমাণ করল তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তা। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
2/6
ডিএইচআর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ আর্থিক বছরে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৪.৬ কোটি টাকা, যেখানে আগের বছর এই আয় ছিল ২১.২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৬ শতাংশ আয় বৃদ্ধি। শুধু আয় নয়, পর্যটক সংখ্যাতেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৪ সালে যেখানে ১ লক্ষ ৭৪ হাজার পর্যটক টয়ট্রেনের পরিষেবা নিয়েছিলেন, সেখানে ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষেরও বেশি।
ডিএইচআর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ আর্থিক বছরে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৪.৬ কোটি টাকা, যেখানে আগের বছর এই আয় ছিল ২১.২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৬ শতাংশ আয় বৃদ্ধি। শুধু আয় নয়, পর্যটক সংখ্যাতেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৪ সালে যেখানে ১ লক্ষ ৭৪ হাজার পর্যটক টয়ট্রেনের পরিষেবা নিয়েছিলেন, সেখানে ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষেরও বেশি।
advertisement
3/6
এই সাফল্যের পিছনে অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে হেরিটেজ সংরক্ষণ ও প্রিমিয়াম পর্যটন পরিষেবার উপর জোর। করোনা অতিমারির পর ভর্তুকির উপর নির্ভরতা ছেড়ে নিজস্ব আয়ে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ডিএইচআর। বর্তমান ডিরেক্টর রিশভ চৌধুরীর নেতৃত্বে শুরু হয় পুরনো স্টিম ইঞ্জিন ও ঐতিহাসিক কোচগুলির পুনরুজ্জীবন। ইতিমধ্যেই ১৫টি হেরিটেজ কোচ সংস্কারের কাজ চলছে, যাতে যাত্রীরা ইতিহাসের ছোঁয়া নিয়ে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পান।
এই সাফল্যের পিছনে অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে হেরিটেজ সংরক্ষণ ও প্রিমিয়াম পর্যটন পরিষেবার উপর জোর। করোনা অতিমারির পর ভর্তুকির উপর নির্ভরতা ছেড়ে নিজস্ব আয়ে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ডিএইচআর। বর্তমান ডিরেক্টর রিশভ চৌধুরীর নেতৃত্বে শুরু হয় পুরনো স্টিম ইঞ্জিন ও ঐতিহাসিক কোচগুলির পুনরুজ্জীবন। ইতিমধ্যেই ১৫টি হেরিটেজ কোচ সংস্কারের কাজ চলছে, যাতে যাত্রীরা ইতিহাসের ছোঁয়া নিয়ে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পান।
advertisement
4/6
ডিএইচআরের ডিরেক্টর রিশভ চৌধুরী জানান, “২০২৫ সালে আয় ও পর্যটক—দুই ক্ষেত্রেই ডিএইচআর সর্বকালের রেকর্ড করেছে। এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন আমাদের কর্মীরা এবং দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা।” তাঁর কথায়, হেরিটেজের সঙ্গে আধুনিক পরিষেবার মেলবন্ধনই আজ দার্জিলিং হিমালয়ান রেলকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
ডিএইচআরের ডিরেক্টর রিশভ চৌধুরী জানান, “২০২৫ সালে আয় ও পর্যটক—দুই ক্ষেত্রেই ডিএইচআর সর্বকালের রেকর্ড করেছে। এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন আমাদের কর্মীরা এবং দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা।” তাঁর কথায়, হেরিটেজের সঙ্গে আধুনিক পরিষেবার মেলবন্ধনই আজ দার্জিলিং হিমালয়ান রেলকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
advertisement
5/6
পর্যটন শিল্পের সঙ্গেও এই সাফল্যের সরাসরি যোগ রয়েছে। হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যালের মতে, “করোনার পর টয়ট্রেনকে নতুনভাবে প্রচারের আলোয় আনা হয়েছে। এর সুফল এখন স্পষ্ট। তবে এই পরিষেবাকে আরও টেকসই করতে পাহাড়ে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি।” পর্যটক বাড়ায় হোটেল, হোমস্টে ও স্থানীয় ব্যবসায়ও গতি এসেছে।
পর্যটন শিল্পের সঙ্গেও এই সাফল্যের সরাসরি যোগ রয়েছে। হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যালের মতে, “করোনার পর টয়ট্রেনকে নতুনভাবে প্রচারের আলোয় আনা হয়েছে। এর সুফল এখন স্পষ্ট। তবে এই পরিষেবাকে আরও টেকসই করতে পাহাড়ে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি।” পর্যটক বাড়ায় হোটেল, হোমস্টে ও স্থানীয় ব্যবসায়ও গতি এসেছে।
advertisement
6/6
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাতেও বড় চমকের ইঙ্গিত দিয়েছে ডিএইচআর। গরমের ছুটির আগেই চারটি নতুন জয়রাইড পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দার্জিলিং থেকে ঘুম পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে তিনধারিয়া পর্যন্ত হেরিটেজ টয়ট্রেন পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের স্টিম ইঞ্জিনে পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথে ফের যাত্রা—এই উদ্যোগ আগামী দিনে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলকে আরও বড় পর্যটন আকর্ষণে পরিণত করবে বলেই আশা। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাতেও বড় চমকের ইঙ্গিত দিয়েছে ডিএইচআর। গরমের ছুটির আগেই চারটি নতুন জয়রাইড পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দার্জিলিং থেকে ঘুম পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে তিনধারিয়া পর্যন্ত হেরিটেজ টয়ট্রেন পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের স্টিম ইঞ্জিনে পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথে ফের যাত্রা—এই উদ্যোগ আগামী দিনে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলকে আরও বড় পর্যটন আকর্ষণে পরিণত করবে বলেই আশা। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
advertisement
advertisement